Monday, 5 March 2018

not doctor info

যেসব কারণে চিকিৎসককে বয়কট করবেন (শেষ পর্ব)

এস এম গল্প ইকবাল : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০১ ৭:৫৩:৩৩ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-০১ ১:২১:০৮ পিএম
প্রতীকী ছবি
এস এম গল্প ইকবাল: চিকিৎসাসেবা মহৎ পেশা। চিকিৎসকরা অসুস্থ মানুষকে সেবা দিয়ে সুস্থ করেন কিংবা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচান। তা সত্ত্বেও অধিকাংশ মানুষের ধারণা, চিকিৎসকরা রোগীর কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেন। সব চিকিৎসক এমন নন। কিছু চিকিৎসকের অসততার কারণে তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হয়।

অসৎ বা খারাপ মনোবাসনাপূর্ণ চিকিৎসক চেনার অনেক উপায় রয়েছে। অসৎ চিকিৎসকদের চেনার ১৪টি লক্ষণ নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনে আজ থাকছে শেষ পর্ব।

* মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন না : একজন ভালো চিকিৎসক অবশ্যই তার রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার কথা ভালোমতো না শুনে যে চিকিৎসক প্রেসক্রিপশন লিখতে বা অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যস্ত থাকেন তাকে বর্জন করতে পারেন। আপনার চিকিৎসক আপনার কথা না শুনলে তার কাছ থেকে ভালো সেবা আশা করতে পারেন না।

* অন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুৎসাহিত করে : এমডি ইনসাইডারের সিইও ডেভিড নরিস বলেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ শতাংশ রোগীর রোগ নির্ণয়ে ভুল হয়। এটি অবধারিতভাবে ভালো চিকিৎসকের লক্ষণ নয়। যেহেতু মেডিসিন একটি জটিল বিজ্ঞান তাই আপনার ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় সঠিক হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে সেকেন্ড অপিনিয়ন বা অন্য কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি ভালো চিকিৎসকরা আপনাকে রেফারেলও দিতে পারেন। কিন্তু যদি আপনার চিকিৎসক তার কথার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন যে অন্য কোনো অপিনিয়নের প্রয়োজন নেই, তাহলে অন্য চিকিৎসকের কাছে যান।

* রোগ নির্ণয়ে বারবার ভুল টেস্ট : রোগ নির্ণয়ে যেখানে একবার ভুল টেস্ট হওয়া কঠিন, সেখানে বারবার ভুল টেস্ট দেওয়া হলে নিশ্চিত হতে পারেন, কোনো মারাত্মক ভুল হচ্ছে। আপনার চিকিৎসক আপনাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার জন্য যথেষ্ট সময় না নিলে, সঠিক ইতিহাস অনুসন্ধান না করলে, অফিসের কার্যপ্রণালী ত্রুটিপূর্ণ হলে অথবা তিনি অনভিজ্ঞ হলে কিংবা অন্যান্য সমস্যা থাকলে রোগ নির্ণয়ে ভুল টেস্ট দেওয়াটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে আপনার এমন চিকিৎসকের খোঁজ করা উচিৎ যিনি আপনার স্বাস্থ্য সমস্যার প্রকৃত উৎস নির্ণয় করতে সমর্থ।

* নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের ওষুধ সেবনে পরামর্শ : নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে, ৯৪ শতাংশ চিকিৎসকের সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির কোনো না কোনোভাবে সম্পর্ক আছে। যার মানে হচ্ছে- তারা ফ্রি স্যাম্পল, গিফট অথবা কোনো নির্দিষ্ট ওষুধের জন্য মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ থেকে পেমেন্ট পেয়ে থাকে। এটি তাদের প্রেসক্রিপশনের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলে। কোনো নতুন ওষুধ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া ভিন্ন কথা, কিন্তু যদি আপনার চিকিৎসক আপনাকে সবসময় নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের ওষুধ সেবনে পরামর্শ দেন, তাহলে অন্য চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন।

* অযথা ব্যথানাশক ওষুধ প্রেসক্রাইব: যুক্তরাষ্ট্র সরকার সম্প্রতি ওপিওইড (আফিম জাতীয় ওষুধ) ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু সেখানে মধ্যবয়সি ব্যক্তিদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হচ্ছে ওপিওইডের অতিমাত্রায় ব্যবহার। এখনো বিশেষজ্ঞরা এর জন্য দায়ী কে তা অনুসন্ধান করছে, কিন্তু এ কথা অস্বীকার করা যায় না যে যেসব চিকিৎসক ব্যথানাশক ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন তারাও এর অংশ। কেউই দীর্ঘস্থায়ী ও অত্যধিক ব্যথা চায় না, কিন্তু আপনার চিকিৎসকের উচিৎ হবে কোনো নির্দিষ্ট অবস্থার প্রেক্ষিতে সীমিত পরিমাণে এ জাতীয় ব্যথানাশক প্রেসক্রাইব করা, অন্যথায় এতে আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* হাত অপরিষ্কার রাখেন : বর্তমানে রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে হ্যান্ডওয়াশিং বা হাতধোয়া। এ বিষয়ে জানা সত্ত্বেও অনেক চিকিৎসক রোগী দেখার আগে হাত ধোয়ার বিষয়টি এড়িয়ে চলেন। এক গবেষণায় জানা যায়, মাত্র ২২ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ স্ট্যান্ডার্ড বজায় রেখে হ্যান্ডওয়াশ করেন। আপনার চিকিৎসকের অফিসে হ্যান্ড-স্যানিটাইজিং জেল বা সাবান এবং প্রত্যেক রোগীর রুমে পানি থাকা উচিৎ। আপনাকে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পূর্বে চিকিৎসক হাত ধুয়ে নিচ্ছেন কিনা লক্ষ্য করুন।

* প্রয়োজনীয় সনদ না থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা প্রদান: ভুয়া চিকিৎসক এড়াতে আপনি যে বিষয়ে সেবা নিতে চান সে বিষয়ে আপনার চিকিৎসকের প্রয়োজনীয় সনদ আছে কিনা নিশ্চিত হোন। এমন চিকিৎসকের অনুসন্ধান করুন যিনি আপনার সমস্যা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ। সর্বোত্তম চিকিৎসা সেবা পেতে বোর্ড-সনদপ্রাপ্ত মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট

পড়ুন : যেসব কারণে চিকিৎসককে বয়কট করবেন (প্রথম পর্ব)



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ মার্চ ২০১৮/ফিরোজ/মারুফ

cancertest info

এক টেস্টে জানা যাবে ৮টি ক্যানসারের লক্ষণ

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০২ ৮:১৫:১৩ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-০২ ১২:১৪:১৫ পিএম
আহমেদ শরীফ: মানবদেহে ক্যানসারের আক্রমণ বাড়ছে।আশার কথা হলো, গবেষকরা একটি মাত্র রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ৮টি ভিন্ন ধরনের ক্যানসার শনাক্ত করার উপায় উদ্ভাবন করেছেন। নিঃসন্দেহে এটি মানব জাতির জন্য আশীর্বাদ। গবেষকরা বলছেন, নতুন এই রক্ত পরীক্ষায় ব্রেস্ট, ওভারিয়ান, লিভার, স্টমাক, প্যানক্রিয়াস, ইসোফাগাস, বাওয়েল ও লাং ক্যানসারের  মতো আটটি ক্যানসারের পূর্ব লক্ষণ জানা যাবে। নতুন এই ব্লাড টেস্টের নাম ‘ক্যানসার সিক’। ক্যানসার আক্রান্ত হতে পারে এমন ১৬টি ভিন্ন ধরনের জিন এই পরীক্ষায় পর্যবেক্ষণ করা হবে।  টেস্টটি করাতে  ৫০০ ডলার খরচ পড়বে।

অস্ট্রেলিয়ার দুই গবেষক প্রফেসর পিটার গিবস ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর জিন টাই এই গবেষণার সাথে জড়িত। তবে আমেরিকার জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষক জশুয়া কোহেন মূল গবেষক। তিনি বলেছেন, যেভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষার তাগিদ অনুভব করে মানুষ,  তেমনি শরীরে ক্যানসার আছে কি না, তা আগেই জানা যাবে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে। বর্তমানে ওভারিয়ান, স্টমাক, ইসোফেজিয়াল, লিভার ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের টেস্ট করানোর সুযোগ পাচ্ছেন না রোগীরা। এই রক্ত পরীক্ষায় সেসব ক্যানসারের লক্ষণ শনাক্ত করা যাবে।

এই রক্ত পরীক্ষায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যালগোরিদমের মাধ্যমে রক্তে কোন ধরনের জিন ও প্রোটিন ঐ রোগী বহন করছেন, তা শনাক্ত করা হয় বলে জানান কোহেন। রক্ত পরীক্ষা কতোটা সঠিক তা জানতে ১ হাজার ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর উপর গবেষণা চালানো হয়। ক্যানসার শনাক্তের ক্ষেত্রে এই রক্ত পরীক্ষা ৬৯ থেকে ৯৮ শতাংশ  সফল হয়েছে। আর ব্লাড টেস্টের পর প্রাথমিক স্টেজে আক্রান্ত ক্যানসার রোগীরা যাতে সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন, সে বিষয়ে আরো ব্যাপক গবেষণা করতে যাচ্ছেন প্রফেসর কোহেন। সে লক্ষ্যে আগামী ৫ বছর ৫০ হাজার নারী, যাদের ক্যানসার নেই, তাদের উপর ‘ক্যানসার সিক’ ব্লাড টেস্ট চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।  

kids heart info

শিশুর হার্টের অসুখ

ঝুমকি বসু : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০৪ ৯:১০:৫৭ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-০৪ ১১:০৬:২৭ এএম
প্রতীকী ছবি
ঝুমকি বসু : ছোট্ট সোনামণিরাও আক্রান্ত হতে পারে হার্টের অসুখে। শিশুদের হার্টের অসুখের এমন কিছু লক্ষণ আছে যা অনেক ক্ষেত্রেই নজর এড়িয়ে যায় বা অন্য কোনো সমস্যার উপসর্গ বলে মনে হয়।

শিশুদের হার্টের অসুখ মূলত জন্মগত। কী করে বুঝবেন শিশুর হার্টের অসুখ আছে? কী করেই বা ওদের সুস্থ রাখবেন? জানাচ্ছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাকসুদুর রহমান।

লক্ষণ- 

কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ 
* সদ্য জন্মানো শিশু 
কাঁদতে কাঁদতে নীল হয়ে যায়।
বুকের দুধ খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে যায়।
বুকের দুধ টেনে খেতে সমস্যা হয়।
কোলে থাকলে ভালো থাকে, বিছানায় শুইয়ে দিলে কষ্ট হয়।
খাওয়ার সময় কপাল, মাথার তালু ঘেমে যায়।

* ৩-৪ বছরের শিশু 
হাঁটতে গেলে বা দৌড়ানোর সময় সহজেই হাঁপিয়ে যায়, বসে পড়ে। ঠোঁট, আঙুলের ডগা নীল হয়ে যায়।ঃ
শিশু ঠিকমতো বাড়ে না।
হঠাৎ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যায়।
বারবার ঠাণ্ডাজনিত অসুখে ভোগে, এমনকি এন্টিবায়োটিক দেওয়া বা হাসপাতালে নেওয়ার দরকারও পড়ে।

ব্লু বেবিজ  
এই ধরনের হার্টের অসুখে শিশু খুব কান্না করে এবং হাঁটা বা দৌড়ানোর সময় নীল হয়ে যায়। শিশু অজ্ঞান হয়ে যায়, এমনকি মারাও যেতে পারে। তবে এই ধরনের হার্টের অসুখ খুব কম শিশুরই হয়ে থাকে।

কেন শিশুদের হার্টের অসুখ হয়?  
* কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ : জন্মগত হার্টের অসুখ জেনেটিক মিউটেশনের কারণে হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটি সন্তানের এমন সমস্যা থাকলে, পরবর্তী সন্তানেরও এমন সমস্যার আশঙ্কা থাকে। মায়ের থেকে শিশুর এই অসুস্থতা পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামুলকভাবে কম।

* অ্যাকোয়ার্ড হার্ট ডিজিজ : যেসব শিশুর পারিবারিকভাবে হার্টের অসুখের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বংশগতভাবেই জন্মের পর হার্টের সুখ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শিশু যদি অলস হয়, অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে শিশুদের

ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার এবং উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যার ফলাফল হার্টের নানা ধরনের অসুখ।

চিকিৎসা 
শিশুদের হার্টের অসুখের চিকিৎসা মূলত দুই ধরনের। বেশিরভাগ সময়েই সার্জারি না করে চেষ্টা করা হয় অন্য উপায় অবলম্বন করার। ক্যাথিটার ইন্টারভেনশনের সাহায্যে হার্টের ফুটা, ভাল্বের সমস্যার চিকিৎসা করা হয়। কিছু জটিল সমস্যার ক্ষেত্রে সার্জারি করা হয়।

সতর্কতা  
* শিশুর মধ্যে এই জাতীয় কোনো লক্ষণ দেখতে পেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।

* ব্লু বেবিরা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাঁটু যতটা সম্ভব বুকের কাছে নিয়ে যান। এতে ওরা যে নীল হয়ে যায় তা আটকানো যাবে।

* শিশুরা যাতে শারীরিক পরিশ্রম করে তা খেয়াল রাখুন। পড়াশোনা, কম্পিউটারের পাশাপাশি ওদের খেলাধুলার প্রতি নজর দিন।

* পরিবারে কারো উচ্চ রক্তচাপ থাকলে শিশুদের ব্যাপারে সতর্ক হন। তাদের খাবারে অতিরিক্ত লবণ দেবেন না। চিপস, কিছু বিস্কুট, নুডুলসের মশলায় লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। কাজেই এগুলো এড়িয়ে চলুন।

* যে কোনো ফাস্ট ফুড এড়িয়ে যান।

* শিশুদের খাবারে ফল এবং শাক-সবজির পরিমাণ বাড়ান।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪ মার্চ ২০১৮/ঝুমকি বসু/ফিরোজ

eco tourism in bagarhat bd

ইকো ট্যুরিজম করমজলে মুগ্ধ দর্শনার্থী

আলী আকবর টুটুল : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০৫ ১২:০৮:০২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-০৫ ১২:০৮:০২ পিএম
বাগেরহাট সংবাদদাতা : বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র করমজলে বানর হরিণ কুমিরসহ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। করমজল এখন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মূখর।

ক্রমেই করমজলে আকর্ষন বাড়ছে দর্শনার্থীদের। এই মৌসুমে ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। দর্শনার্থীরা স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে করমজলে এসে বেড়িয়ে আনন্দ উপভোগ করছেন।

সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের অধীনে করমজল পর্যটন কেন্দ্র। নদী পথে খুলনা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার এবং মংলা থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে এ পর্যটন কেন্দ্রটির অবস্থান। ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র ছাড়াও এখানে আছে হরিণ ও কুমির প্রজনন ও লালন পালন কেন্দ্র।

মংলা থেকে ইঞ্জিন নৌকায় চড়লে করমজলের জেটিতে পৌঁছা যাবে এক থেকে দেড় ঘণ্টায়। পর্যটন কেন্দ্রটির শুরুতেই বিশাল আকৃতির মানচিত্র সুন্দরবন সম্পর্কে ধারণা দেবে। মানচিত্র পেছনে ফেলে বনের মধ্যে দক্ষিণে চলে গেছে আঁকাবাঁকা কাঠের তৈরি হাঁটা পথ। পথের নাম মাঙ্কি ট্রেইল। ট্রেইলে পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই এক ভিন্ন আবহে পদার্পন করবেন পর্যটক। পুরো ট্রেইল জুড়েই দেখা মিলবে সুন্দরবনের অন্যতম বাসিন্দা রেসাস বানরের।

পথের দুই ধারে ঘন জঙ্গল। এ বনে বাইন গাছের সংখ্যা বেশি। কাঠের পথ কিছু দূর যাওয়ার পরে হাতের বাঁয়ে শাখা পথ গিয়ে থেমেছে পশুরের তীরে। শেষ মাথায় নদীর তীরে বেঞ্চ পাতানো ছাউনি। মূল পথটি আরও প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে গিয়ে ছোট খালের পাড়ে থেমেছে। পথের মাথায় এখানেও আরও একটি শেইড। সেখান থেকে আবারও পশ্চিম দিকে কাঠের ট্রেইলটি চলে গেছে কুমির প্রজনন কেন্দ্রের পাশে। এই ট্রেইলের মাঝামাঝি জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে একটি পর্যবেক্ষণ বুরুজ। এর চূড়ায় উঠলে করমজলের চারপাশটা ভালো করে দেখা যায়।

কাঠের তৈরি ট্রেইলের  একেবারে শেষ প্রান্তে কুমির প্রজনন কেন্দ্র। সেখান থেকে সামান্য পশ্চিম দিকে হরিণ ও কুমিরের প্রজনন কেন্দ্র। সামনেই ছোট ছোট অনেকগুলো চৌবাচ্চা। কোনটিতে ডিম ফুটে বের হওয়া কুমির ছানা, কোনটিতে মাঝারি আকৃতির আবার কোনটিতে আরও একটু বড় বয়সের লোনা জলের কুমিরের বাচ্চা।

একেবারে দক্ষিণ পাশে দেয়াল ঘেরা বড় পুকুরে আছে রোমিও, জুলিয়েট আর পিলপিল। জেলেদের জালে ধরা পড়া এই তিন লোনা পানির কুমিরকে ২০০২ সালে সুন্দরবনের করমজলে আনা হয়। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম উপায়ে কুমির উৎপাদনে মূল অবদান তাদেরই। জুলিয়েট আকারে রোমিওর চেয়ে সামান্য ছোট। লোনা পানির এই প্রজাতির কুমির আশি থেকে একশো বছর বাঁচে।

বনবিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, করমজলে হরিণ ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রে যদি ডলফিনের এক্সিভিশন করা, সুন্দরবনে যে অরকিড আছে সেগুলোর গার্ডেন করা, বাটার ফ্লাইয়ের গার্ডেনসহ আরো একটু বৈচিত্র্য আনতে পারলে আরও দর্শনার্থীদের উপভোগের মজা আরো বাড়বে।

এ মৌসুমে সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী আব্দুল মমিন বলেন, ‘আমরা ৪৬ জনের একটি টিম আসছি। সুন্দরবন স্বচক্ষে দেখে খুবই ভাল লেগেছে। অনেক কিছু দেখলাম, অনেক মজা করেছি’।

ফরিদপুর থেকে আসা গৃহবধু তায়শা ইসলাম বলেন, ‘সুন্দরবনে প্রথম এসে হরিণ, বানর, কুমির, বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ ও নানা পশুপাখি দেখে মুগ্ধ হয়েছি।’

অনেক দর্শনার্থীদের অভিযোগ, ট্যুরিজম এলাকায় দর্শনার্থীদের বসার টুলের ব্যবস্থা নেই, ফুট ট্রেইল ও ওয়াচ টাওয়ারটি নাজুক । এ কারণে দর্শনার্থীদের ঝুকিঁ নিয়ে চলাচল করতে হয়।’

কিছু সমস্যার কথা স্বীকার করে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণি ইকো ট্যুরিজমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, ‘পর্যটক মৌসুমে এখানে মাত্র দুটি ঘাট যথেষ্ট নয়। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে নতুন কিছু অবকাঠামো নির্মাণের। যাতে ঘুরতে এসে কোন দর্শনার্থীদের বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়।’


রাইজিংবিডি/বাগেরহাট/৫ মার্চ ২০১৮/আলী আকবর টুটুল/টিপু

Welcome to vietnam president

Dhaka, Hanoi ink three instruments

Nasim risingbd.com
 
  
Publish on: 2018-03-05 2:03:44 PM     ||     Updated: 2018-03-05 2:22:16 PM
Risingbd Desk: Bangladesh and Vietnam have signed three memorandums of understanding (MoUs) for bolstering cooperation in the fields of fisheries and livestock, industry and culture.

The instruments were inked after the official talks between Visiting Vietnamese President Tran Dai Quang and Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina at the Prime Minister's Office on Monday morning.

The two leaders witnessed the signing of the MoUs.

The three instruments are: the MoU on the renewal of the MoU in the field of Fisheries and Livestock between Bangladesh and Vietnam signed on November 02, 2012, the MoU on machinery manufacturing cooperation between the Ministry of Industry of Bangladesh and the Ministry of Industry and Trade of Vietnam and the MoU on Cultural Exchange Programme between the Ministry of Cultural Affairs of Bangladesh and the Ministry of Culture and Sports and Tourism of Vietnam.

Minister of Fisheries and Livestock of Bangladesh Narayan Chandra Chanda and Minister of Agriculture and Rural Development of Vietnam Nguyen Xuan Ceuong signed the MoU on the renewal of the MoU in the field of Fisheries and Livestock between the two countries.

The MoU on machinery manufacturing cooperation between the Ministry of Industry of Bangladesh and the Ministry of Industry and Trade of Vietnam was penned by Industries Secretary Mohammad Abdullah and Vietnamese Vice Minister of Industry and Trade Cao Quoc Hung.

Cultural Affairs Secretary Ibrahim Hossain Khan and Deputy Minister for Culture, Sports and Tourism of Vietnam Dang Thi Bich Lien signed the MoU on Cultural Exchange Programme.
Source: BSS


risingbd/Dhaka/March 5, 2018/Nasim

Messi 600 goal info

৬০০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছলেন মেসি

শামীম হোসেন পাটোয়ারি : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০৫ ১০:২৬:৫২ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-০৫ ২:৩০:০৩ পিএম
ক্রীড়া ডেস্ক: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে লিওনেল মেসির অসাধারণ এক ফ্রি কিকের গোলে জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। আর ন্যু ক্যাম্পে এ গোলের মধ্য দিয়ে বর্ণিল ক্যারিয়ারে ৬০০ গোলের মাইলফলকে পা রেখেছেন আর্জেন্টাইন এ খুদে জাদুকর।

সাফল্যে মোড়ানো ক্যারিয়ারে ৬০০ গোলের ৫৩৯টি করেছেন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে। আর জাতীয় দল আর্জেন্টিনার হয়ে পাঁচ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকার গোল সংখ্যা ৬১টি।

গতকাল রাতে ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচের ২৫ মিনিটে বার্সাকে জয়সূচক গোলটি উপহার দেন মেসি। ২৫ গজ দূর থেকে ঐশ্বরিক বাঁ পায়ের বাকানো এক ফ্রি কিকে অ্যাটলেটিকোর জাল কাঁপান তিনি।

২৪ মিনিটে আর্জেন্টিনা তারকাকে ফাউল করায় ফ্রি কিক পেয়েছিল বার্সেলোনা। এ নিয়ে টানা তৃতীয় ম্যাচে ফ্রি কিকে গোল করলেন তিনি।

অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে ৩৬ ম্যাচে মেসির গোল এখন ২৮। লিগে এ মৌসুমে এটা মেসির ২৪তম গোল, আর সব ধরনের প্রতিযোগিতা আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের এটি ৩২তম গোল।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ মার্চ ২০১৮/শামীম

10 years oscar award

গত ১০ বছরে যাদের হাতে উঠেছে অস্কার

মারুফ খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
  
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০৪ ৬:০১:৫৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-০৫ ৮:২৯:৪৬ এএম
২০১৭, ২০১৬, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালের বিজয়ী অভিনয়শিল্পীরা (ঘড়ির কাঁটার দিকে)
বিনোদন ডেস্ক : আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই শুরু হবে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার অনুষ্ঠানের এবারের আসর। ৯০তম আসরে কার কার হাতে উঠবে সেরার পুরস্কার? ইতোমধ্যে এটি নিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা।

এবারের আসরে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন জিতেছেন-টিমোথি শালামে (কল মি বাই ইয়োর নেম), ড্যানিয়েল ডে লুইস (ফ্যান্টম থ্রেড), ড্যানিয়েল কালুইয়া (গেট আউট), গ্যারি ওল্ডম্যান (ডার্কেস্ট আওয়ার), ডেনজেল ওয়াশিংটন (রোমান জে. ইসরায়েল এস্ক.)। সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন- স্যালি হকিন্স (দ্য শেপ অব ওয়াটার), ফ্যান্সিস ম্যাকডোরম্যান্ড (থ্রি বিলবোর্ডস আউটসাইড এবিং, মিসৌরি), মার্গোট রোবি (আই, টোনিয়া), সাইরোস রোনান (লেডি বার্ড), মেরিল স্ট্রিপ (দ্য পোস্ট)।

অন্যদিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেতার মনোনয়নের তালিকায় রয়েছে উইলেম ড্যাফো (দ্য ফ্লোরিডা প্রজেক্ট), উডি হ্যার্লসন (থ্রি বিলবোর্ডস আউটসাইড এবিং, মিসৌরি), রিচার্ড জেনকিন্স (দ্য শেপ অব ওয়াটার), ক্রিস্টোফার প্লামার (অল দ্য মানি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড), স্যাম রকওয়েল (থ্রি বিলবোর্ডস আউটসাইড এবিং, মিসৌরি)-এর নাম। এ ছাড়া সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর মনোনয়ন জিতেছেন -মেরি জে. ব্লিগ (মাডবাউন্ড), অ্যালিসন জেনি (আই, টোনিয়া), লেসলে ম্যানভিল (ফ্যান্টম থ্রেড), লৌরি মেটক্যাফ (লেডি বার্ড), অক্টাভিয়া স্পেনসার (দ্য শেপ অব ওয়াটার)। এদের মধ্যে থেকেই নির্বাচিত হবেন এবারের সেরা অভিনয়শিল্পী।

বিগত ১০ বছর অস্কার আসরে যে অভিনয়শিল্পীদের হাতে এ পুরস্কার উঠেছে তাদের নিয়ে সাজানো এই প্রতিবেদন।

২০১৭ : ক্যাসে অ্যাফ্লেক (সেরা অভিনেতা, ম্যানচেস্টার বাই দ্য), এমা স্টোন (সেরা অভিনেত্রী, লা লা ল্যান্ড), সি), মাহেরশালা আলী (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, মুনলাইট),  ভায়োলা ডেভিস (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, ফেন্সেস)।

২০১৬ : লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (সেরা অভিনেতা, দ্য রেভেন্যান্ট), ব্রি লারসন (সেরা অভিনেত্রী, রুম), মার্ক রাইল্যান্স (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, ব্রিজ অব স্পাইস), অ্যালিসিয়া ভিকান্দার (সেরা অভিনেত্রী, দ্য ড্যানিস গার্ল)।

২০১৫ : এডি রেডমেইন (সেরা অভিনেতা, দ্য থিওরি অব এভরিথিংস), জুলিয়ান মুর (সেরা অভিনেত্রী, স্টিল অ্যালিস), জে. কে সিমন্স (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, হুইপল্যাশ), প্যাট্রিসিয়া আর্কুয়েট (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, বয়হুড)।

২০১৪ : ম্যাথিউ ম্যাকনে (সেরা অভিনেতা, ডালাস বায়ার্স ক্লাব), কেট ব্লানচেট (সেরা অভিনেত্রী, ব্লু জেসমিন), লুপিটা নিওঙ্গ (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, টুয়েলভ ইয়ারস অ্যা স্লেভ), জেরার্ড লেটো (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, ডালাস বায়ার্স ক্লাব)

২০১৩ : ড্যানিয়েল ডে লুইস (সেরা অভিনেতা, লিংকন), জেনিফার লরেন্স (সেরা অভিনেত্রী, সিলভার লাইনিং প্লেবুক), অ্যান হ্যাথওয়ে (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, লা মিজারেবলস), ক্রিস্টোফ ওয়াল্টজ (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, জ্যাঙ্গো আনচেইন্ড)।

২০১২ : জেন ডুজার্ডিন (সেরা অভিনেতা, দ্য আর্টিস্ট), মেরিল স্ট্রিপ(সেরা অভিনেত্রী, দ্য আইরন লেডি), ক্রিস্টোফার প্লামার (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, বিগিনার্স), অক্টাভিয়া স্পেনসার (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, দ্য হেল্প)।

২০১১ : কলিন ফার্থ (সেরা অভিনেতা, দ্য কিংস স্পিচ), নাটালি পোর্টম্যান (সেরা অভিনেত্রী, ব্ল্যাক সোয়ান), ক্রিশ্চিয়ান বেল (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, দ্য ফাইটার), মেলিসা লিও (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, দ্য ফাইটার)।

২০১০ : জেফ ব্রিজস (সেরা অভিনেতা, ক্রেজি হার্ট), ক্রিস্টোফ ওয়াল্টজ (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, ইনগ্লোরিয়ার্স বাস্টার্ড), সান্দ্রা বুলক (সেরা অভিনেত্রী, দ্য ব্লাইন্ড সাইড), মো’নিক (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, প্রেসিয়াস)।

২০০৯ : সেন পেন (সেরা অভিনেতা, মিল্ক), কেট উইন্সলেট (সেরা অভিনেত্রী, দ্য রিডার), পেনেলোপে ক্রুজ (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সেলোনা), হেথ লেজার (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, দ্য ডার্ক নাইট)।

২০০৮ : ড্যানিয়েল ডে লুইস (সেরা অভিনেতা, দেয়ার উইল বি ব্লাড), ম্যারিয়ন কটিলার্ড (সেরা অভিনেত্রী, লা ভিয়ে এন রোজ), হাভিয়ার বার্ডেম (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, নো কান্ট্রি ফর ওল্ডম্যান), টিলডা সুইন্টন (সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, মাইকেল ক্লেটন)।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪ মার্চ ২০১৮/মারুফ/শান্ত