Saturday, 25 March 2017

land down out of earth



পৃথিবীর বাইরেও ভূমিধস!

মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৩-২৩ :২৪:০৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৩-২৩ :২৪:৫৯ পিএম
৬৭পি ধূমকেতুর আসওয়ান পাহাড়ের কিনারায় ৭০ মিটার দীর্ঘ মিটার চওড়া ফাটল (সাদা তীর চিহ্নিত)
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : পৃথিবী থেকে ৩১৭ মিলিয়ন মাইল দূরে থাকা একটি ধূমকেতুর মধ্যে প্রথমবারের মতো জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন ভূমিধসের ঘটনা।

এতদিন পৃথিবীতে ভূমিধসের ঘটনা মিললেও এই প্রথম পৃথিবীর বাইরে ভূমিধসের ঘটনার দেখা মিলেছে।

৬৭পি নামক একটি ধূমকেতুর কক্ষপথে থাকা রোসেটা মহাকাশ যান সেখানে ২০০০ টন ভূমি পতনের ছবি তুলেছে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ধূমকেতুটিতে বিশাল ধূলা বিস্ফোরণের সঙ্গে ১০০ মিটার দীর্ঘ ভূমি ধসে পড়েছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ধূমকেতুটিতেআসওয়াননামক একটি পাহাড়ে ৭০ মিটার দীর্ঘ মিটার চওড়া ফাটল দেখা যায়। ২০১৫ সালের ১০ জুলাই আরেকটি পৃথক ক্যামেরায় ওই এলাকায় ব্যাপক ধূলা সৃষ্টির ছবি ধরা পড়ে। এর পাঁচ দিন পরেই পরিস্কার ছবিতে ভূমিধসের ঘটনা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ওই স্থানের অভ্যন্তরে বরফ গলে যাওয়াই এই ভুমিধসের কারণ বলে মনে করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

২১ মার্চ ২০১৭ সালে ন্যাচারাল অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত এই সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ধূমকেতুটির পৃষ্ঠ কৃত্রিম অবস্থায় ছিল। ২০১৫ সালের জুলাইয়ে আসওয়ান অঞ্চলে পাহাড়ের খাড়া স্থানটির তাপমাত্রা মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে মাইনাস ১৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রায় ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যেত, যখন এর পৃষ্ঠ ছায়া থেকে বেরিয়ে এসে সরাসরি সূর্যের আলোতে থাকতো। স্থানটি প্রতি ১২ ঘণ্টার মধ্যে . ঘণ্টা আলোকপ্রাপ্ত হতো। তীব্র তাপমাত্রায় ধূমকেতুটির ভূপৃষ্ঠে ফাটল সৃষ্টি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে

৬৭পি ধূমকেতুর আসওয়ান অঞ্চলে ১০০ মিটার ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট বিস্ফোরণের দৃশ্য (তীর চিহ্নিত অংশ

মার্চ ২০০৪ সালে, ৬৭পি ধূমকেতু অভিযানে যাত্রা শুরু করা রোসেটা মিশনের সমাপ্তি ঘটে গত বছরের সেপ্টেম্বরে। মহাকাশে ১২ বছরের বেশি সময় ধরে অবস্থান করেছে রোসেটা মহাকাশ যান এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য ধূমকেতুটির কক্ষপথে বছর ছিল।

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সৌরমণ্ডলের ভেতর দিয়ে যাত্রা শেষে ৬৭পি ধূমকেতুর কাছে পৌঁছেছিল এই মহাকাশ যান। ধূমকেতুটির কাছে পৌঁছাতে গিয়ে রোসেটাকে নানা বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে এবং প্রায় . বিলিয়ন মাইল পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। এই দীর্ঘ পথে শক্তি বাঁচানোর জন্য তাকে ৩১ মাসের জন্য অকেজো করে রাখা হয়েছিল। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ফের সচল করা হয় এবং একই বছরের আগস্টে এটি কক্ষপথে পৌঁছায়।

কক্ষপথে থাকা রোসেট মহাকাশযানটি থেকে ২০১৪ সালের নভেম্বরে ধূমকেতুর পৃষ্ঠে ফিলি নামক একটি ক্ষুদ্র রোবটযান অবতরণ করে। কোনো ধূমকেতুর বুকে মানুষের তৈরি রোবটযানের অবতরণ এটিই প্রথম। ধূমকেতু পৃষ্ঠ পর্যালোচনা উজ্জ্বল ছবি ধারণের জন্য ফিলিকে ব্যবহার করা হয়।

৬৭পি ধূমকেতুটি প্রতি .৪৫ বছর পর পর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ১৯৬৯ সালে এটি আবিস্কৃত হয়।

তথ্যসূত্র : মিরর


রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৩ মার্চ ২০১৭/ফিরোজ/শাহনেওয়াজ

Wednesday, 22 March 2017

un award for public toilet aps - Bangladesh won



জাতিসংঘের পুরস্কার পেল বাংলাদেশের পাবলিক টয়লেট অ্যাপ

মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৩-২১ :০৯:১৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৩-২১ :২৫:১৭ পিএম
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট আওয়ার্ড (ডাব্লিউএসএ) পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশি মুঠোফোন সফটওয়্যারপাবলিক টয়লেট প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রিনিয়ার ল্যাব মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানিয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস  টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটার এইডের যৌথ সহযোগিতায় এই অ্যাপটি নিয়ে কাজ করছে দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রেনিউর ল্যাব।

সামাজিক আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য নির্মিত মোবাইল কনটেন্টকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে ডাব্লিউএসএ জাতিসংঘের একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ।

প্রসঙ্গে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘স্মার্ট শহর এর নানান কার্যক্রম ইতোমধ্যে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি উদ্ভাবন বিশ্ব বাজারে ব্যাপক সফল হচ্ছে, ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড এর প্রমাণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়, ধ্রুব বাস্তবতা। আইসিটি বিভাগ আইডিয়া প্রজেক্টসহ নানানভাবে স্টার্টআপ এবং ইনোভেশন ইকো সিস্টেমের পাশে থাকবে। এই সম্মান দেশে আনায় প্রেনিউর ল্যাবকে অনেক শুভেচ্ছা।

প্রিনিয়ার ল্যাবের প্রধান নির্বাহী আরিফ নিজামী ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রাম যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এর এলামনাই এবং গুগল ডেভেলপার গ্রুপ ঢাকার উপদেষ্টা।

প্রেনিউর ল্যাব ২০১৬ সালে পাবলিক টয়লেট  অ্যাপ এর জন্যব্র্যাক মন্থন ডিজিটাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডলাভ করে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রিনিউর ল্যাব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে কাজ করছে।

আরিফ নিজামী বলেন, অ্যাপটি দ্বারা যে কেউ আশেপাশের পাবলিক টয়লেট খুঁজে নিতে পারবে। সঙ্গে জানতে পারবে পরিচ্ছন্নতা অবস্থা, নারী উপযোগী কিনা, কয়টি রুম আছে, লাগেজ রাখার ব্যবস্থা আছে কিনা, খাবার পানি ব্যবস্থা, ব্যবহারের চার্জসহ প্রতিটি টয়লেটের প্রায় ১৯টি তথ্য। ঢাকা শহরে শপিং মল, হাসপাতাল, রেল স্টেশন এবং মসজিদ, মন্দির মিলিয়ে পাবলিক টয়লেট আছে প্রায় ২০০০টি।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২১ মার্চ ২০১৭/ফিরোজ