Sunday, 2 October 2016

Dr Sheti advise for all

হৃদরোগ এড়াতে ডাঃ দেবি শেঠির কিছু চমৎকার পরামর্শ

Screenshot_402দেবি শেঠি ভারতের বিখ্যাত চিকিৎসক। বলা হয়, বিশ্বের সেরা ১০ জন সার্জনের একজন তিনি।বাংলাদেশেও তিনি বেশ পরিচিত। ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে শেঠির নারায়ণা হৃদয়ালয় হাসপাতালটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান হাসপাতাল।
প্রশ্ন: হৃদরোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয় এমন মানুষেরা কিভাবে হৃদযন্ত্রের যত্ন নিতে পারে?
দেবি শেঠি: ১. খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। শর্করা এবং চর্বিজাত খাবার কম খেতে হবে। আর আমিষের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।
২. সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন আধা ঘণ্টা করে হাঁটতে হবে। লিফটে চড়া এড়াতে হবে। একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।
৩. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৫. রক্তচাপ এবং সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
প্রশ্ন: শাক জাতীয় নয়, এমন খাবার (যেমন মাছ) খাওয়া কি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী?
দেবি শেঠি: না।
প্রশ্ন: মাঝে মাঝে শোনা যায় সুস্থ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে যা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখেন?
দেবি শেঠি: এটাকে বলে নীরব আক্রমণ। এজন্যই ত্রিশোর্ধ্ব সকলের উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।
প্রশ্ন: মানুষ কি উত্তরাধিকারসূত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে?
দেবি শেঠি: হ্যাঁ।
প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে কেন? এর থেকে উত্তরণের উপায় কি?
দেবি শেঠি: জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে। জীবনে সব কিছু নিখুঁত হবে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।
প্রশ্ন: জগিং করার চেয়ে কি হাঁটা ভারেঅ? নাকি হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়ার জন্য আরো কঠিন ব্যায়াম জরুরি?
দেবি শেঠি: হ্যাঁ, জগিং করার চেয়ে হাঁটা ভালো। জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।
প্রশ্ন: দরিদ্র এবং অভাবগ্রস্তদের জন্য আপনি অনেক কিছু করেছেন। এসবের পেছনে অনুপ্রেরণা কি ছিল?
দেবি শেঠি: মাদার তেরেসা। তিনি আমার রোগী ছিলেন।
প্রশ্ন: নিম্ন রক্তচাপে যারা ভোগেন, তারা কি হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে?
দেবি শেঠি: সেটা হবে খুবই বিরল।
প্রশ্ন: কোলেস্টেরলের মাত্রা কি অল্প বয়স থেকেই বাড়তে থাকে? নাকি ত্রিশের পর এ বিষয়ে চিন্তিত হওয়া উচিত?
দেবি শেঠি: না, কোলেস্টেরলের মাত্রা ছোটবেলা থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
প্রশ্ন: অনিয়মিত খাদ্যাভাস কিভাবে হৃদযন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে?
দেবি শেঠি: অনিয়মিত খাদ্যাভাস মানুষকে জাঙ্ক ফুডের দিকে ঠেলে দেয়। আর তখনই হজমের জন্য ব্যবহৃত এনজাইমগুলো দ্বিধায় পড়ে যায়।
প্রশ্ন: ওষুধ ছাড়া কিভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
দেবি শেঠি: নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, হাঁটাহাঁটি এবং আখরোট খাওয়ার মাধ্যমে।
প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে খারাপ খাবার কোনটি?
দেবি শেঠি: ফল এবং সবজি সবচেয়ে ভাল খাবার। আর সবচেয়ে খারাপ তৈলাক্ত খাবার।
প্রশ্ন: কোন তেল ভালো? সূর্যমুখী নাকি জলপাই?
দেবি শেঠি: যেকোনো তেলই খারাপ।
প্রশ্ন: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কি নির্দিষ্ট কোনো পরীক্ষা আছে?
দেবি শেঠি: নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। তাছাড়া রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।
প্রশ্ন: হার্ট অ্যাটাক হলে প্রাথমিকভাবে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে?
দেবি শেঠি: রোগীকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর জিহ্বার নিচে একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। যদি পাওয়া যায় তবে এ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে। এরপর দ্রুত হাসপাতালে নেবার ব্যবস্থা করতে হবে। কেননা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।
প্রশ্ন: হৃদরোগজনিত ব্যথা এবং গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মধ্যে পার্থক্য করা যায় কিভাবে?
দেবি শেঠি: ইসিজি ছাড়া এটা সত্যিই খুব কঠিন।
প্রশ্ন: যুবকদের মধ্যে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যার আধিক্যের কারণ কি?
দেবি শেঠি: একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ধূমপান এবং জাঙ্ক ফুড। তাছাড়া ব্যায়াম না করাও একটি প্রধান কারণ। কিছু কিছু দেশের মানুষের জেনেটিক কারণেই ইউরোপিয়ান এবং আমেরিকানদের চেয়ে তিন গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
প্রশ্ন: রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা (১২০/৮০) না থাকলেও কি কেউ পুরোপুরি সুস্থ থাকতে পারে?
দেবি শেঠি: হ্যাঁ।
প্রশ্ন: নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে করলে সন্তানের হৃদরোগ হতে পারে- এটা কি সত্য?
দেবি শেঠি: হ্যাঁ। নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে জন্মগত অস্বাভাবিকতার দিকে ঠেলে দেয়।
প্রশ্ন: বেশিরভাগ মানুষ অনিয়ন্ত্রিত রুটিন অনুসরণ করে। মাঝে মাঝে মানুষকে অনেক রাত পর্যন্ত অফিসে থাকতে হয়। এতে কি হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়? যদি হয় তবে এক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?
দেবি শেঠি: তরুণ বয়সে প্রকৃতি মানুষকে এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
প্রশ্ন: অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধ গ্রহণ করলে অন্য কোন জটিলতা তৈরি হয়?
দেবি শেঠি: হ্যাঁ, বেশিরভাগ ওষুধেরই কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু আধুনিক অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধগুলো অনেক নিরাপদ।
প্রশ্ন: অতিরিক্ত চা বা কফি খেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে?
দেবি শেঠি: না।
প্রশ্ন: অ্যাজমা রোগীদের কি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি?
দেবি শেঠি: না।
প্রশ্ন: জাঙ্ক ফুডকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন?
দেবি শেঠি: যেকোনো ধরনের ফ্রাইড ফুড যেমন কেন্টাকি, ম্যাকডোনাল্ডস, সমুচা। এমনকি মাসালা দোসাও জাঙ্ক ফুড।
প্রশ্ন: আপনার মতে ভারতীয়দের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। এর কারণ কি?
দেবি শেঠি: পৃথিবীর প্রতিটি জাতিরই কিছু নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুঃখজনক হলেও সত্য, জাতি হিসেবে ভারতীয়দের সবচেয়ে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি।
প্রশ্ন: কলা খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে?
দেবি শেঠি: না।
প্রশ্ন: হার্ট অ্যাটাক হলে কেউ কি নিজে নিজে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারে?
দেবি শেঠি: অবশ্যই। তাকে প্রথমেই শুতে হবে এবং একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট জিহবার নিচে রাখতে হবে। এরপর দ্রুত আশপাশের কাউকে বলতে হবে যেন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি মনে করি অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করা ঠিক নয়। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যাম্বুলেন্স যথাসময়ে হাজির হয় না।
প্রশ্ন: রক্তে শ্বেতকণিকা এবং হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে কি হৃদরোগ হতে পারে?
দেবি শেঠি: না। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম করার জন্য হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকা জরুরি।
প্রশ্ন: আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে অনেক সময় ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ঘরের স্বাভাবিক কাজের সময় হাঁটাহাঁটি করা অথবা সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করা কি ব্যায়ামের বিকল্প হতে পারে?
দেবি শেঠি: অবশ্যই। একটানা আধা ঘণ্টার বেশি বসে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এমনকি এক চেয়ার থেকে উঠে অন্য চেয়ারে যেয়ে বসাও শরীরের জন্য অনেকটা সহায়ক।
প্রশ্ন: হৃদরোগ এবং রক্তে সুগারের পরিমাণের সাথে কি কোনো সম্পর্ক আছে?
দেবি শেঠি: বেশ গভীর সম্পর্ক আছে। ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক।
প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের পর কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?
দেবি শেঠি: পরিমিত খাদ্যাভাস, ব্যায়াম, নিয়মিত ওষুধ খাওয়া, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। পাশাপাশি রক্তচাপ এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
প্রশ্ন: যারা রাতের শিফটে কাজ করেন তাদের কি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি?
দেবি শেঠি: না।
প্রশ্ন: আধুনিক অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধগু কোনগুলো?
দেবি শেঠি: অনেক ওষুধই আছে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া জরুরি। তবে আমার পরামর্শ হলো, ওষুধ এড়িয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা। আর সেজন্য নিয়মিত হাঁটা, ওজন কমে এমন খাবার খাওয়া এবং জীবনযাত্রার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।
প্রশ্ন: ডিসপিরিন বা এই ধরনের মাথাব্যথা উপশমকারী ট্যাবলেট কি হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়?
দেবি শেঠি: না।
প্রশ্ন: মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা কেন হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হয়?
দেবি শেঠি: প্রকৃতি মেয়েদেরকে ৪৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।
প্রশ্ন: হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার উপায় কি?
দেবি শেঠি: স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। জাঙ্ক ফুড ও ধূমপান পরিহার করতে হবে। প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। আর বয়স ত্রিশ পার হলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। অন্তত প্রতি ছয় মাসে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই হবে।
http://hintbd.com/bn/?p=113

Monday, 29 August 2016

131 pcs watermelon in one tree in china

এক গাছে ১৩১ তরমুজ
 
 

মারুফ খান : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:25 Aug 2016   07:58:52 AM   Thursday   ||   Updated:29 Aug 2016   11:27:56 AM   Monday
তরমুজ

তরমুজ

সাতসতেরো ডেস্ক : সাধারণত তরমুজের একটি গাছে ১-৪টি তরমুজ ধরে থাকে। কিন্তু চীনের একটি কৃষি প্রযুক্তি কোম্পানি এমন একটি বীজ আবিষ্কার করেছে যেখানে একটি গাছে ১৩১টি তরমুজ ধরেছে।
এর ফলে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে তাদের এ সাফল্য। 

ঝেংঝু রিসার্চ সিডিং টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড এই বীজ আবিষ্কার করেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উৎপাদনে সক্ষম তরমুজ বীজ। এ বীজের এক গাছ থেকে ৯০দিনে সর্বোচ্চ ১৩১টি তরমুজ পাওয়া যাবে।
Inner1

সাধারণ একটি তরমুজ গাছে সর্বোচ্চ এক ডজন পর্যন্ত তরমুজ ধরতে পারে। কিন্তু পরিণত অবস্থায় পৌঁছাতে একটা অথবা দুটি তরমুজ অবশিষ্ট থাকে। কিন্তু অ্যাগ্রোনোমিস্ট ঝু জুয়েগ্যাং এবং তার দলের আবিষ্কৃত এই বীজের একটি তরমুজও নষ্ট হবে না বলে তাদের দাবি। 

প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ২৬ এপ্রিল এ তরমুজের বীজ বপন করার পর ১ মে গাছের শাখা-প্রশাখা একশ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ১ জুন এর ফুল ফুটতে থাকে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১৩১টি তরমুজ গাছে এসে যায়।  
Inner2


তরমুজের সংখ্যা যেমন চমকপ্রদ এর আকার এবং ওজনও কিন্তু আকর্ষণীয়। একটি তরমুজ সর্বনিম্ন পাঁচ এবং সর্বোচ্চ ১৯ কেজি পর্যন্ত হয়েছে। তরমুজগুলোর গড় ওজন ১০ কেজি।

উচ্চ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন তরমুজের এই বীজের কোড নাম ‘তিয়ানলং ১৫০৮’। তবে কবে নাগাদ এ বীজ বাজারজাত করা হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৫ আগস্ট ২০১৬/মারুফ/শান্ত

national smart card issue from 2nd oct 2016.

২ অক্টোবর স্মার্ট কার্ড বিতরণের উদ্বোধন
 
 

মিথুন : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:29 Aug 2016   06:29:33 PM   Monday   ||   Updated:29 Aug 2016   08:59:49 PM   Monday
২ অক্টোবর স্মার্ট কার্ড বিতরণের উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ২ অক্টোবর রাজধানীবাসীর হাতে স্মার্ট আইডি কার্ড (উন্নত জাতীয় পরিচয়পত্র) তুলে দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, নাগরিকদের হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল এর উদ্বোধনের জন্য। স্মার্ট কার্ড বিতরণের সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২ অক্টোবর এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।

সচিব আরো বলেন, আমরা প্রথমে ঢাকার নাগরিকদের স্মার্ট কার্ড দেবো। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে রাজধানী ঢাকায় বিতরণ করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা, পৌরসভা ও সবশেষে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে।

সচিব সিরাজুল ইসলাম জানান, এই স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে, যেমন : আয়কর শনাক্তকরণ নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, চাকরির আবেদন, সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় সহ আরো অনেক কিছু।

এ বিষয়ে ইসির এনআইডি অণুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দিন বলেন, স্মার্ট কার্ড বিতরণের জন্য আমরা রাজধানীর প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে একাধিক ক্যাম্পে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করব। তবে স্মার্ট কার্ড পেতে হলে পুরনো প্লাস্টিকের কার্ডটি আমাদের ফেরত দিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১০ কোটি ভোটার আছে। এদের মধ্যে প্রায় ৯ কোটি ভোটারের লেমিনেটিং করা জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এই স্মার্ট কার্ড পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধাসম্পন্ন হবে। এই স্মার্ট কার্ডে ২৫ ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, যা কেউ কখনোই নকল করতে পারবে না।

তিনি বলেন, পৃথিবীর প্রায় ৫০টি দেশ স্মার্ট কার্ড থাকলেও আমাদের এ প্রযুক্তি কেউ ব্যবহার করেনি। আর এই স্মার্ট কার্ড ব্যয়বহুলও বটে। প্রতিটি স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত করতে দুই ডলার করে খরচ হয়েছে। এ কার্ডের মেয়াদ হবে ১০ বছর।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ আগস্ট ২০১৬/মিথুন/রফিক

Westbengal become Bangla

পশ্চিমবঙ্গের নাম হলো ‘বাংলা’
 
 

শাহেদ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:29 Aug 2016   03:20:33 PM   Monday   ||   Updated:29 Aug 2016   07:55:12 PM   Monday
পশ্চিমবঙ্গের নাম হলো ‘বাংলা’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আবার বাংলা নামে ফিরে গেল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। এখন থেকে এ রাজ্যের নাম হলো ‘বাংলা’।

হিন্দিতে পশ্চিমবঙ্গকে ডাকা হবে বাঙাল এবং ইংরেজিতে বলা হবে বেঙ্গল। এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গকে এ তিন নামের যেকোনো একটি নামে উল্লেখ করতে হবে। এ তিনটিই সরকারি নাম।

প্রাচীন কাল থেকে বাংলা ভাষাভাষী ভূখণ্ড ও জনপদটির নাম ছিল বাংলা। ব্রিটিশ ভারতে বঙ্গ ভঙ্গের ফলে সৃষ্টি হয় পশ্চিমবঙ্গ (ওয়েস্ট বেঙ্গল) এবং পূর্ববঙ্গ (ইস্ট বেঙ্গল)। দেশ ভাগের পর পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়। সেই পূর্ববঙ্গ পরে স্বাধীন দেশ ‘বাংলাদেশ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু বাংলার একাংশ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হিসেবে ভারতের সঙ্গে থাকে। সেই রাজ্যের নাম পাল্টে ফেলার উদ্যোগ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শেষ পর্যন্ত পুরো বাংলা একত্রে না হলেও পশ্চিমবঙ্গ ফিরে গেল বাংলা নামে।

সোমবার রাজ্য বিধানসভায় নাম পরিবর্তনের এ প্রস্তাব ব্যাপক ভোটে পাস হয়েছে।

এর আগেও বেশ কয়েকবার পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাংলায় ‘পশ্চিমবঙ্গ’ আর ইংরেজিতে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’- দুরকম নাম না রেখে রাজ্যের নাম শুধু ‘পশ্চিমবঙ্গ’ রাখারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের তরফ থেকে এমন প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গেলেও তাতে সবুজ সংকেত মেলেনি।

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের ইংরেজি নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’ নিয়ে বেশ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, রাজ্যের নাম ইংরেজিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল হওয়ার কারণে দিল্লিতে যখন সব রাজ্যকে নিয়ে কোনো সম্মেলন হয় তখন ইংরেজি বর্ণানুক্রমে রাজ্যগুলোকে ডাকা হয়। এর ফলে ডব্লিউ দিয়ে শুরু ওয়েস্ট বেঙ্গলের নাম আসে সবার শেষে। এ কারণে এবার তোড়জোড় করে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সোমবার বিধানসভায় নাম পরিবর্তনের পক্ষে ১৮৯টি ভোট পড়ে এবং ৩১টি পড়ে বিপক্ষে। ফলে অনায়াশে প্রস্তাবটি পাস হয়। এবার পাস হওয়া এই প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি মিললে সেই প্রস্তাব যাবে রাজ্যসভায়। এরপর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন এবং সংবিধান সংশোধনীর মধ্য দিয়ে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের এই প্রস্তাব কার্যকর হবে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ আগস্ট ২০১৬/শাহেদ/এএন/তারা/রাসেল পারভেজ

high level glass bridge in china

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ও দীর্ঘ কাচের সেতুর উদ্বোধন
 
 

শাহেদ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:21 Aug 2016   10:45:40 AM   Sunday   ||   Updated:23 Aug 2016   12:30:20 PM   Tuesday
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ও দীর্ঘ কাচের সেতুর উদ্বোধন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ও লম্বা কাচের সেতুর উদ্বোধন করেছে চীন। দেশটির হুনান প্রদেশে নির্মাণ করা ৪৩০ মিটার লম্বা ও ভূমি থেকে ৩০০ মিটার উঁচু সেতুটি শনিবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

গত ডিসেম্বরে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। তবে নিরাপত্তাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এটি এত দিন উন্মুক্ত করা হয়নি। তিন স্তরবিশিষ্ট স্বচ্ছ কাচের ৯৯টি বিশাল খণ্ড সংযুক্ত করে সেতুটির পাটাতন তৈরি করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে বছরের শুরুতে বড় হাতুড়ি দিয়ে কাচের পাটাতনে আঘাত করা হয়। এমনকি যাত্রীভর্তি গাড়িও সেতুর ওপর দিয়ে চালানো হয়েছে। তিয়ানমেন পাহাড়ের ন্যাশনাল পার্কের দুটি অংশকে সংযোগকারী সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার ।
  


কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৬ মিটার চওড়া সেতুটির নকশা করেছেন ইসরায়েলের স্থপতি হাইম ডুটন। সেতুটিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৮ হাজার দর্শনার্থীকে ওঠার অনুমতি দেওয়া হবে।
 

সম্প্রতি চীনে কাচের সেতু ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। যোগব্যায়ামসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠানও হচ্ছে এ ধরনের সেতুগুলোতে। সম্প্রতি একটি কাচের সেতুর সঙ্গে ঝুলন্ত বিছানায় বিয়ের অনুষ্ঠান করে আলোচনায় এসেছে এক দম্পতি।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/২১ আগস্ট ২০১৬/শাহেদ/এএন