http://www.risingbd.com/videos/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%8F%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%AC%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B9%E0%A7%8E-%E0%A6%89%E0%A6%AD%E0%A6%9A%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%A7-%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A5%A4/41
Tuesday, 26 December 2017
Monday, 25 December 2017
iron in stomac -100 pcs
পাকস্থলীতে একশর বেশি লোহা
এস এম গল্প ইকবাল
: রাইজিংবিডি ডট কম
প্রকাশ: ২০১৭-১২-২৫ ৮:১৭:২৩ এএম || আপডেট: ২০১৭-১২-২৫ ১০:৪৬:০৬ এএম
|
|
এস এম গল্প ইকবাল: বছরজুড়ে কত
ঘটনাই না ঘটে। অনেক ঘটনা এতটাই আমাদের অবাক করে যে, সেগুলো অনেকদিন মনে
থাকে। বিশেষ করে সেগুলো যদি মেডিকেল সায়েন্স বিষয়ক তাহলে তো কথাই নেই। যেমন
নারীর শরীর থেকে ঝরছে রক্তঘাম, পুরুষের মূত্রথলিতে দেখা গেছে বিশাল আকৃতির
পাথর। এমন আরো কয়েকটি অদ্ভুত ঘটনা ২০১৭ সালে শিরোনাম হয়েছে। এগুলো
চিকিৎসকদের বিরল রোগ সম্পর্কে জানতে কিংবা প্রচলিত রোগের অস্বাভাবিক
লক্ষণসমূহ নির্ধারণ করতে সাহায্য করেছে। এসব ঘটনা চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাব্য
ক্ষতিকারক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কেও আমাদের সজাগ করেছে। ২০১৭ সালের
অদ্ভুত কিছু ঘটনা নিয়ে এ প্রতিবেদনের পড়ুন প্রথম পর্ব।
ফ্রান্সের ৫২ বছর বয়স্ক একজন পুরুষের পাকস্থলীতে ১০০টিরও বেশি লোহা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে পেরেক, ছুরি, স্ক্রু ড্রাইভারের মাথা, লোহার তার, কাঁটাচামচ এবং কিছু কয়েন। লোকটি পাঁচ বছর বিভিন্ন উপসর্গ (যেমন- পেটব্যথা, বমিবমি ভাব এবং রক্তবমি) নিয়ে পাঁচবার ইমার্জেন্সি রুমে গিয়েছিল। এসব লোহা অপসারণ করতে ডাক্তারদের প্রতিবারই অপারেশন করতে হয়েছে।

পুঞ্জীভূত লোহার স্তূপ এত বড় ছিল যে, লোকটির পাকস্থলী খালি হতো না কখনও। লোকটির মধ্যে সাইকোসিস নির্ণীত হয়েছে। সাইকোসিস একটি মানসিক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বাস্তবতা বুঝতে পারে না। পাকস্থলীতে ১০০টিরও বেশি মেটাল পাওয়া লোকটির সার্জারি শেষে তাকে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের কাছে রেফার করা হয়। এ ঘটনাটি ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিএমজে কেস রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৫ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ/তারা
ফ্রান্সের ৫২ বছর বয়স্ক একজন পুরুষের পাকস্থলীতে ১০০টিরও বেশি লোহা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে পেরেক, ছুরি, স্ক্রু ড্রাইভারের মাথা, লোহার তার, কাঁটাচামচ এবং কিছু কয়েন। লোকটি পাঁচ বছর বিভিন্ন উপসর্গ (যেমন- পেটব্যথা, বমিবমি ভাব এবং রক্তবমি) নিয়ে পাঁচবার ইমার্জেন্সি রুমে গিয়েছিল। এসব লোহা অপসারণ করতে ডাক্তারদের প্রতিবারই অপারেশন করতে হয়েছে।
পুঞ্জীভূত লোহার স্তূপ এত বড় ছিল যে, লোকটির পাকস্থলী খালি হতো না কখনও। লোকটির মধ্যে সাইকোসিস নির্ণীত হয়েছে। সাইকোসিস একটি মানসিক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বাস্তবতা বুঝতে পারে না। পাকস্থলীতে ১০০টিরও বেশি মেটাল পাওয়া লোকটির সার্জারি শেষে তাকে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের কাছে রেফার করা হয়। এ ঘটনাটি ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিএমজে কেস রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৫ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ/তারা
top 10 hollywood
হলিউডের সেরা ১০
|
|
বিনোদন ডেস্ক : প্রতি বছরের ন্যায়
এবারো হলিউডে মুক্তি পেয়েছে ধামাকাদার কিছু সিনেমা। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি
ব্যবসা করে কিছু সিনেমা যেমন সবাইকে তাক লাগিয়েছে। অন্যদিকে বছরের বহুল
প্রতীক্ষিত কিছু সিনেমার পেছনে লেগেছে ব্যর্থতার তকমা। চলুন জেনে নিই চলতি
বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউডের ১০টি ব্যবসাসফল সিনেমার নাম।
১. বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট : বিল কনডন পরিচালিত সিনেমা ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’। এক জাদুকরীর ছলনায় পড়ে রাজপুত্রের পশু হয়ে যাওয়া, সেই পশুর রাজপ্রাসাদে বেলে নামের এক মেয়ের বাবার আটকা পড়া, তাকে ছাড়িয়ে আনতে সেই রাজপ্রাসাদে পশুটির সঙ্গে বেলের অবস্থান, তারপর একসময় বাড়িতে নিজের বাবাকে এক অনাকাঙ্খিত বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পশুটির প্রতি জন্ম নেওয়া ভালোবাসার অনুভব, অবশেষে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে পশুটিকে পুনরায় মানুষে পরিণত করা। এক অনন্য ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি। চলতি বছর ব্যবসাসফল হলিউড সিনেমার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এটি। ড্যান স্টেভেন ও এমা ওয়াটসন অভিনীত মিউজিক্যাল রোমান্টিক ফ্যান্টাসি ঘরানার সিনেমাটি আয় করেছে ১.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. দ্য ফেট অব দ্য ফিউরিয়াস : হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’। এর অষ্টম কিস্তি ‘দ্য ফেট অব দ্য ফিউরিয়াস’। এটি পরিচালনা করেছেন এফ গ্যারি গ্রে। সিনেমাটিতে আগের মতোই রয়েছেন ভিন ডিজেল, ডোয়াইন জনসন, জ্যাসন স্ট্যাথাম। নতুন করে এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শার্লিজ থেরন। মূল খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন অস্কারজয়ী এ অভিনেত্রী। এবারই প্রথম খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন শার্লিজ থেরন। এ সিনেমাটি আয় করেছে ১.২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. ডেসপিকেবল মি-থ্রি : জনপ্রিয় এই অ্যানিমেশন সিনেমাটি আয় করেছে ১.০৩ বিলিয়ন। মিনিয়ন বাহিনী ও তাদের বস গ্রু’র নানা মজার ঘটনা নিয়ে নির্মিত সিনেমার গল্প। তৃতীয় কিস্তিতে দেখা যায় অ্যান্টি ভিলেন লিগের সদস্য গ্রু। সঙ্গীনি লুসিকে নিয়ে হীরে চোর ব্র্যাটকে ধরার মিশনে ঝাপিয়ে পড়ে। ব্র্যাট এক সময়ে শিশুদের প্রিয় তারকা। পরবর্তীতে খলনায়কে পরিণত হয়। কিন্তু ব্র্যাটকে ধরতে না পারায় চাকরি হারায় গ্রু ও লুসি। এ সিনেমায় গ্রু ফিরে পায় তার হারানো ভাইকে।
৪. স্পাইডার-ম্যান হোমকামিং : মার্ভেল কমিকসের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র বা সুপারহিরোর কথা বলতে গেলে, যে নামটি বেশি শোনা যায়- তা হলো স্পাইডার-ম্যান। এবার মুক্তি পেয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জন ওয়াটস। এবার অ্যান্ড্রু গারফিল্ড নন স্পাইডার-ম্যানের ভূমিকায় ছিলেন ব্রিটিশ অভিনেতা টম হল্যান্ড। এখানেই শেষ নয়, স্পাইডার ম্যানের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন ‘আয়রন-ম্যান’ রবার্ট ডাউনি জুনিয়র। এতে আরো অভিনয় করেছেন-মাইকেল কিটন, ডোনাল্ড গ্লোভারসহ অনেকে। সিনেমাটির আয় ৮৮০.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. গার্ডিয়ান্স অব দ্য গ্যালাক্সি ভলিউম-টু : জনপ্রিয় সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সি’। চলতি বছর মুক্তি পায় এর দ্বিতীয় কিস্তি। শুরু থেকে বক্স অফিসে ঝড় তোলা এ সিনেমা আয় করেছে ৮৬৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে অভিনয় করেন বিশ্বখ্যাত তারকা ক্রিস প্র্যাট, জো সালদানা, ডেইভ বাতিস্তা, ব্র্যাডলি কুপার প্রমুখ।
৬. থর : র্যাগনারগ : মার্ভেল কমিকসের অন্যতম সাড়া জাগানো ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘থর’। এ বছর মুক্তি পায় এ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমা ‘থর : র্যাগনারক’। ক্রিস হেমসওয়েথ, টম হিডেলটন, ক্লেট ব্লানচেট, ইদ্রিস এলবা অভিনীত সিনেমাটি আয় করেছে ৮৪১.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭. ওয়ান্ডার ওম্যান : ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সিনেমা ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’। প্যাটি জেনকিন্সের পরিচালনায় এ সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন গ্যাল গ্যাডট। স্টিভ ট্রেভরের চরিত্রে দেখা গেছে ‘স্টার ট্রেক’খ্যাত অভিনেতা ক্রিস পাইনকে। রয়েছেন রবিন রাইট, ড্যানি হাস্টনসহ আরো অনেকে। মার্কিনি এক বৈমানিক স্টিভ ট্রেভরকে মৃত্যুর হাত থেকে উদ্ধার করে আমাজনের রাজকন্যা ডায়ানা। স্টিভের কাছ থেকেই সে জানতে পারে- বাস্তবের দুনিয়া আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতায়। নারীদের রাজত্ব আমাজন থেকে বের হয়ে ডায়ানা তাই সিদ্ধান্ত নেয় পুরুষতান্ত্রিক পৃথিবীকে বাঁচানোর। যেখানে পদে পদে পুরুষের সঙ্গে লড়েই নিজের অতিমানবীয় শক্তির জানান দিতে হয় তাকে। ওয়ান্ডার ওম্যান’র আয় ৮২১.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮. পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান : ডেডম্যান টেল নো টেলস : এ সিনেমার আয় ৭৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি পরিচালনা করেছেন জোয়াকিম রনিং এবং এসপেন স্যান্ডবার্গ। এ সিনেমাতেও ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ। তার সঙ্গে অরলান্ডো ব্লুম। জ্যাক স্প্যারোর প্রধান শত্রুর ভূমিকায় অস্কারজয়ী অভিনেতা হাবিয়ার বার্দেম। এছাড়া আছেন জিওফ্রে রাশ, কেভিন ম্যাকনালি, ব্রেনটন থোয়াইটস, কায়া স্কডেলোরিওর মতো তারকারা।
৯. ইট : বিখ্যাত হরর লেখক স্টিফেন কিংয়ের উপন্যাস ‘ইট’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। এটি প্রথম দিনেই ৫ কোটি ১ লাখ মার্কিন ডলার ঘরে তুলে সাড়া ফেলে। এর আগে ভৌতিক সিনেমার সেরা আয়ের রেকর্ডটা দখলে ছিল ‘দ্য কনজ্যুরিং’-এর। জেমস ওয়ান পরিচালিত ২০১৩-এর সাড়া জাগানো হরর সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিনে আয় করেছিল ৪ কোটি ১ লাখ। আন্দ্রেজ মুশিয়েত্তি পরিচালিত এ ছবিতে প্রধান চরিত্র পেনিওয়াইজের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিল স্কারসগার্দ। আরো আছেন জেডেন লিবেহা, জেরেমি রে টেইলর, সোফিয়া লিলিস, ফিন ওলফহার্ডসহ অনেকে। সিনেমাটির আয় ৬৯৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
১০. জাস্টিস লিগ : ডিসি কমিকসের সেরা সুপারহিরোদের নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। বক্স অফিসে এর আয় ৬৩৫.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি পরিচালনা করেছেন জ্যাক স্নাইডার। সিনেমায় দেখা যায়- ভয়বহ ধ্বংসের হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে একত্রিত হন ব্যাটম্যান, সুপারম্যান, ওয়ান্ডার ওম্যান, দ্য ফ্ল্যাশ, সাইবর্গ, অ্যাকুয়াম্যানরা। নানা প্রতিকূলতার পর তাদের মিশনে সফল হন তারা।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ ডিসেম্বর ২০১৭/মারুফ/শান্ত
১. বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট : বিল কনডন পরিচালিত সিনেমা ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’। এক জাদুকরীর ছলনায় পড়ে রাজপুত্রের পশু হয়ে যাওয়া, সেই পশুর রাজপ্রাসাদে বেলে নামের এক মেয়ের বাবার আটকা পড়া, তাকে ছাড়িয়ে আনতে সেই রাজপ্রাসাদে পশুটির সঙ্গে বেলের অবস্থান, তারপর একসময় বাড়িতে নিজের বাবাকে এক অনাকাঙ্খিত বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পশুটির প্রতি জন্ম নেওয়া ভালোবাসার অনুভব, অবশেষে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে পশুটিকে পুনরায় মানুষে পরিণত করা। এক অনন্য ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি। চলতি বছর ব্যবসাসফল হলিউড সিনেমার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এটি। ড্যান স্টেভেন ও এমা ওয়াটসন অভিনীত মিউজিক্যাল রোমান্টিক ফ্যান্টাসি ঘরানার সিনেমাটি আয় করেছে ১.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. দ্য ফেট অব দ্য ফিউরিয়াস : হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’। এর অষ্টম কিস্তি ‘দ্য ফেট অব দ্য ফিউরিয়াস’। এটি পরিচালনা করেছেন এফ গ্যারি গ্রে। সিনেমাটিতে আগের মতোই রয়েছেন ভিন ডিজেল, ডোয়াইন জনসন, জ্যাসন স্ট্যাথাম। নতুন করে এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শার্লিজ থেরন। মূল খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন অস্কারজয়ী এ অভিনেত্রী। এবারই প্রথম খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন শার্লিজ থেরন। এ সিনেমাটি আয় করেছে ১.২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. ডেসপিকেবল মি-থ্রি : জনপ্রিয় এই অ্যানিমেশন সিনেমাটি আয় করেছে ১.০৩ বিলিয়ন। মিনিয়ন বাহিনী ও তাদের বস গ্রু’র নানা মজার ঘটনা নিয়ে নির্মিত সিনেমার গল্প। তৃতীয় কিস্তিতে দেখা যায় অ্যান্টি ভিলেন লিগের সদস্য গ্রু। সঙ্গীনি লুসিকে নিয়ে হীরে চোর ব্র্যাটকে ধরার মিশনে ঝাপিয়ে পড়ে। ব্র্যাট এক সময়ে শিশুদের প্রিয় তারকা। পরবর্তীতে খলনায়কে পরিণত হয়। কিন্তু ব্র্যাটকে ধরতে না পারায় চাকরি হারায় গ্রু ও লুসি। এ সিনেমায় গ্রু ফিরে পায় তার হারানো ভাইকে।
৪. স্পাইডার-ম্যান হোমকামিং : মার্ভেল কমিকসের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র বা সুপারহিরোর কথা বলতে গেলে, যে নামটি বেশি শোনা যায়- তা হলো স্পাইডার-ম্যান। এবার মুক্তি পেয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জন ওয়াটস। এবার অ্যান্ড্রু গারফিল্ড নন স্পাইডার-ম্যানের ভূমিকায় ছিলেন ব্রিটিশ অভিনেতা টম হল্যান্ড। এখানেই শেষ নয়, স্পাইডার ম্যানের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন ‘আয়রন-ম্যান’ রবার্ট ডাউনি জুনিয়র। এতে আরো অভিনয় করেছেন-মাইকেল কিটন, ডোনাল্ড গ্লোভারসহ অনেকে। সিনেমাটির আয় ৮৮০.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. গার্ডিয়ান্স অব দ্য গ্যালাক্সি ভলিউম-টু : জনপ্রিয় সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সি’। চলতি বছর মুক্তি পায় এর দ্বিতীয় কিস্তি। শুরু থেকে বক্স অফিসে ঝড় তোলা এ সিনেমা আয় করেছে ৮৬৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে অভিনয় করেন বিশ্বখ্যাত তারকা ক্রিস প্র্যাট, জো সালদানা, ডেইভ বাতিস্তা, ব্র্যাডলি কুপার প্রমুখ।
৬. থর : র্যাগনারগ : মার্ভেল কমিকসের অন্যতম সাড়া জাগানো ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘থর’। এ বছর মুক্তি পায় এ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমা ‘থর : র্যাগনারক’। ক্রিস হেমসওয়েথ, টম হিডেলটন, ক্লেট ব্লানচেট, ইদ্রিস এলবা অভিনীত সিনেমাটি আয় করেছে ৮৪১.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭. ওয়ান্ডার ওম্যান : ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সিনেমা ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’। প্যাটি জেনকিন্সের পরিচালনায় এ সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন গ্যাল গ্যাডট। স্টিভ ট্রেভরের চরিত্রে দেখা গেছে ‘স্টার ট্রেক’খ্যাত অভিনেতা ক্রিস পাইনকে। রয়েছেন রবিন রাইট, ড্যানি হাস্টনসহ আরো অনেকে। মার্কিনি এক বৈমানিক স্টিভ ট্রেভরকে মৃত্যুর হাত থেকে উদ্ধার করে আমাজনের রাজকন্যা ডায়ানা। স্টিভের কাছ থেকেই সে জানতে পারে- বাস্তবের দুনিয়া আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতায়। নারীদের রাজত্ব আমাজন থেকে বের হয়ে ডায়ানা তাই সিদ্ধান্ত নেয় পুরুষতান্ত্রিক পৃথিবীকে বাঁচানোর। যেখানে পদে পদে পুরুষের সঙ্গে লড়েই নিজের অতিমানবীয় শক্তির জানান দিতে হয় তাকে। ওয়ান্ডার ওম্যান’র আয় ৮২১.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮. পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান : ডেডম্যান টেল নো টেলস : এ সিনেমার আয় ৭৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি পরিচালনা করেছেন জোয়াকিম রনিং এবং এসপেন স্যান্ডবার্গ। এ সিনেমাতেও ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনি ডেপ। তার সঙ্গে অরলান্ডো ব্লুম। জ্যাক স্প্যারোর প্রধান শত্রুর ভূমিকায় অস্কারজয়ী অভিনেতা হাবিয়ার বার্দেম। এছাড়া আছেন জিওফ্রে রাশ, কেভিন ম্যাকনালি, ব্রেনটন থোয়াইটস, কায়া স্কডেলোরিওর মতো তারকারা।
৯. ইট : বিখ্যাত হরর লেখক স্টিফেন কিংয়ের উপন্যাস ‘ইট’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। এটি প্রথম দিনেই ৫ কোটি ১ লাখ মার্কিন ডলার ঘরে তুলে সাড়া ফেলে। এর আগে ভৌতিক সিনেমার সেরা আয়ের রেকর্ডটা দখলে ছিল ‘দ্য কনজ্যুরিং’-এর। জেমস ওয়ান পরিচালিত ২০১৩-এর সাড়া জাগানো হরর সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিনে আয় করেছিল ৪ কোটি ১ লাখ। আন্দ্রেজ মুশিয়েত্তি পরিচালিত এ ছবিতে প্রধান চরিত্র পেনিওয়াইজের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিল স্কারসগার্দ। আরো আছেন জেডেন লিবেহা, জেরেমি রে টেইলর, সোফিয়া লিলিস, ফিন ওলফহার্ডসহ অনেকে। সিনেমাটির আয় ৬৯৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
১০. জাস্টিস লিগ : ডিসি কমিকসের সেরা সুপারহিরোদের নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। বক্স অফিসে এর আয় ৬৩৫.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি পরিচালনা করেছেন জ্যাক স্নাইডার। সিনেমায় দেখা যায়- ভয়বহ ধ্বংসের হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে একত্রিত হন ব্যাটম্যান, সুপারম্যান, ওয়ান্ডার ওম্যান, দ্য ফ্ল্যাশ, সাইবর্গ, অ্যাকুয়াম্যানরা। নানা প্রতিকূলতার পর তাদের মিশনে সফল হন তারা।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ ডিসেম্বর ২০১৭/মারুফ/শান্ত
wild life and familly
পশুদের নিয়েই তাদের সংসার
আমিনুর রহমান হৃদয়
: রাইজিংবিডি ডট কম
প্রকাশ: ২০১৭-১২-২৬ ৮:১৭:০১ এএম || আপডেট: ২০১৭-১২-২৬ ৮:১৭:৩৮ এএম
|
|
আমিনুর রহমান হৃদয়: সার্কাসের
শিল্পীরা নানা ধরনের শারীরিক কসরত দেখিয়ে যতটা মুগ্ধ করেন দর্শকদের, তাদের
দলে থাকা পশুরাও খেলা দেখিয়ে কম আনন্দ দেয় না। ছোট থেকে বড়- সবাই খেলা দেখে
মুগ্ধ হয়। বলা যায় সার্কাসের এই পশুগুলো অন্য এক মাত্রা যোগ করে।
চারপায়ী একটি ভালুক যখন দুই পা দিয়ে মানুষের মতো হেঁটে হেঁটে খেলা দেখায় তখন দর্শক সারিতে হাততালি যেন থামতেই চায় না। চিড়িয়াখানায় গিয়ে ভালুকের দেখা পেলেও তারা কিন্তু দুই পা দিয়ে মানুষের মতো হেঁটে খেলা দেখায় না। অথচ সার্কাসে এই দৃশ্য খুবই স্বাভাবিক। শুধু কি ভালুকের খেলা সেখানে দেখানো হয়? না। বিলেতি কুকুর, বানর, হাতি এমনকি এক সময় বাঘও সার্কাসে খেলা দেখাত। যদিও শেষের এই পশুকে এখন আর দেখা যায় না। সুন্দরবনেও যে বাঘ বিলুপ্তপ্রায়!
সার্কাসে পশুদের খেলা দেখানোর আগে রীতিমত প্রশিক্ষণ দিতে হয়। এখানে কাজটি করেন মোহাম্মদ রিপন (৪৪)। দ্য গ্রেট রওশন সার্কাসে পশুদের নিয়ে খেলা দেখান তিনি। সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ওরস মেলায় কথা হয় তার সঙ্গে।

রিপনের বাড়ি কুষ্টিয়ার মেহেরপুর। যখন ৭ বছর বয়স তখন থেকেই মামা রহিম বাদশাহর কাছে পশুদের পোষ মানিয়ে খেলা শেখানোর কৌশল শেখেন। ৩৬ বছর ধরে এই কাজ করছেন। রিপন বলেন, ‘বর্তমানে যে ভালুক দুই পায়ে মানুষের মতো হেঁটে খেলা দেখায় এটি ৬ মাস বয়সে আনা হয়েছিল। ধীরে ধীরে পোষ মানিয়ে তারপর খেলা শিখিয়েছি। এটাই নিয়ম। এখন ভালুকটির বয়স ১০ বছর।’
পোষ মানাতে গিয়ে কখনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওরা এখন আমাকে ছাড়া কাউকে চেনে না। আমি ওদের খাবার দেই। মঞ্চে নিয়ে গিয়ে খেলা দেখাই। আল্লাহর রহমতে কখনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রথম দিকে যখন ভালুকটিকে আনা হয়, তখন রহিম মামার পায়ে কামড় দিয়ে মাংস উঠিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু আমাকে ওরা ভালোবাসে। সত্যি বলতে ওদের নিয়েই আছি। আমিও ওদের ভালোবাসি। ওদের নিয়েই আমার সংসার।’
৪৪ বছর বয়সেও বিয়ে করেননি রিপন। কেন করেননি প্রশ্ন করতেই লাজুক হাসি দিয়ে নিশ্চুপ হয়ে গেলেন। তারপর একটি বানরের দিকে এগিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দিতে লাগলেন। সার্কাসে বানরটি সাইকেল চালায়। একটি বিলেতি কুকুর আছে। কুকুরটি ড্রাম নিয়ে খেলা দেখায়। রিংয়ের মধ্যে দিয়ে লাফ দেয়। হাতি তিন পায়ে হাঁটে, আবার কখনো ফুটবল খেলে, কখনো কখনো মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিরা কীভাবে যুদ্ধ করেছিল অভিনয় করে দেখায়। এই হাতির মালিক ও প্রশিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। তিনি জানালেন, গত ৮ বছর ধরে দুটি হাতির দেখভাল করছেন এবং পোষ মানিয়ে সার্কাসে খেলা দেখাচ্ছেন। এ জন্য সার্কাসের মালিক দিনপ্রতি তাকে ২৫০০ টাকা দেয়। কিন্তু যখন সার্কাস বন্ধ থাকে তখন তাদের কষ্টের সীমা থাকে না।

হাতি গম, ভুষি ও কলাগাছ খায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হাতি প্রচুর খায়! সার্কাস বন্ধ থাকলে সাহায্য তুলে এবং হাতির পিঠে মানুষ চড়িয়ে টাকা আয় করে হাতির খাবার কিনি। তখন এমন অবস্থা হয় যে, হাতির খাবার কিনতেই টাকা শেষ হয়ে যায়। নিজের খাবার কেনার আর টাকা থাকে না।’
এখন পর্যন্ত খেলা দেখানোর সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ/তারা
চারপায়ী একটি ভালুক যখন দুই পা দিয়ে মানুষের মতো হেঁটে হেঁটে খেলা দেখায় তখন দর্শক সারিতে হাততালি যেন থামতেই চায় না। চিড়িয়াখানায় গিয়ে ভালুকের দেখা পেলেও তারা কিন্তু দুই পা দিয়ে মানুষের মতো হেঁটে খেলা দেখায় না। অথচ সার্কাসে এই দৃশ্য খুবই স্বাভাবিক। শুধু কি ভালুকের খেলা সেখানে দেখানো হয়? না। বিলেতি কুকুর, বানর, হাতি এমনকি এক সময় বাঘও সার্কাসে খেলা দেখাত। যদিও শেষের এই পশুকে এখন আর দেখা যায় না। সুন্দরবনেও যে বাঘ বিলুপ্তপ্রায়!
সার্কাসে পশুদের খেলা দেখানোর আগে রীতিমত প্রশিক্ষণ দিতে হয়। এখানে কাজটি করেন মোহাম্মদ রিপন (৪৪)। দ্য গ্রেট রওশন সার্কাসে পশুদের নিয়ে খেলা দেখান তিনি। সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ওরস মেলায় কথা হয় তার সঙ্গে।
রিপনের বাড়ি কুষ্টিয়ার মেহেরপুর। যখন ৭ বছর বয়স তখন থেকেই মামা রহিম বাদশাহর কাছে পশুদের পোষ মানিয়ে খেলা শেখানোর কৌশল শেখেন। ৩৬ বছর ধরে এই কাজ করছেন। রিপন বলেন, ‘বর্তমানে যে ভালুক দুই পায়ে মানুষের মতো হেঁটে খেলা দেখায় এটি ৬ মাস বয়সে আনা হয়েছিল। ধীরে ধীরে পোষ মানিয়ে তারপর খেলা শিখিয়েছি। এটাই নিয়ম। এখন ভালুকটির বয়স ১০ বছর।’
পোষ মানাতে গিয়ে কখনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওরা এখন আমাকে ছাড়া কাউকে চেনে না। আমি ওদের খাবার দেই। মঞ্চে নিয়ে গিয়ে খেলা দেখাই। আল্লাহর রহমতে কখনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রথম দিকে যখন ভালুকটিকে আনা হয়, তখন রহিম মামার পায়ে কামড় দিয়ে মাংস উঠিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু আমাকে ওরা ভালোবাসে। সত্যি বলতে ওদের নিয়েই আছি। আমিও ওদের ভালোবাসি। ওদের নিয়েই আমার সংসার।’
৪৪ বছর বয়সেও বিয়ে করেননি রিপন। কেন করেননি প্রশ্ন করতেই লাজুক হাসি দিয়ে নিশ্চুপ হয়ে গেলেন। তারপর একটি বানরের দিকে এগিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দিতে লাগলেন। সার্কাসে বানরটি সাইকেল চালায়। একটি বিলেতি কুকুর আছে। কুকুরটি ড্রাম নিয়ে খেলা দেখায়। রিংয়ের মধ্যে দিয়ে লাফ দেয়। হাতি তিন পায়ে হাঁটে, আবার কখনো ফুটবল খেলে, কখনো কখনো মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিরা কীভাবে যুদ্ধ করেছিল অভিনয় করে দেখায়। এই হাতির মালিক ও প্রশিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। তিনি জানালেন, গত ৮ বছর ধরে দুটি হাতির দেখভাল করছেন এবং পোষ মানিয়ে সার্কাসে খেলা দেখাচ্ছেন। এ জন্য সার্কাসের মালিক দিনপ্রতি তাকে ২৫০০ টাকা দেয়। কিন্তু যখন সার্কাস বন্ধ থাকে তখন তাদের কষ্টের সীমা থাকে না।
হাতি গম, ভুষি ও কলাগাছ খায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হাতি প্রচুর খায়! সার্কাস বন্ধ থাকলে সাহায্য তুলে এবং হাতির পিঠে মানুষ চড়িয়ে টাকা আয় করে হাতির খাবার কিনি। তখন এমন অবস্থা হয় যে, হাতির খাবার কিনতেই টাকা শেষ হয়ে যায়। নিজের খাবার কেনার আর টাকা থাকে না।’
এখন পর্যন্ত খেলা দেখানোর সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ/তারা
we lost in 2017 and many more
বছরের হারিয়ে যাওয়া তারা
|
|
রাহাত সাইফুল : দেখতে দেখতে কেটে
গেল আরেকটি বছর। বছরজুড়ে বিনোদন জগতে নতুনদের যেমন আগমন ঘটেছে তেমনি অনেক
গুণী চলচ্চিত্রজন চিরবিদায় নিয়েছেন। তাদের অক্লান্ত শ্রম এবং অবদানের ফল
আজকের সাংস্কৃতিক অঙ্গন। কিন্তু নিয়তির অমোঘ নিয়মে তারা পাড়ি জমিয়েছেন
না-ফেরার দেশে। তাদের মৃত্যুজনিত শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। বছরজুড়ে যেসব
গুণীজনদের হারিয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গন তাদের স্মরণে সাজানো হয়েছে বিশেষ এই
প্রতিবেদন।
নায়করাজ রাজ্জাক: বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক। দুই বাংলায় তিনি সমান জনপ্রিয়। অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চলতি বছরের ২১ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় চলচ্চিত্রপাড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কয়েক দফা জানাজা শেষে ২৩ আগস্ট দুপুরে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবদুল জব্বার: বাংলা গানের কিংবদন্তি, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ আগস্ট মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। পরদিন ৩১ আগস্ট বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন আব্দুল জব্বার।
লাকী আখন্দ: বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী লাকী আখন্দ। গত ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক এই শিল্পীকে মৃত ঘোষণা করেন। ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন এই মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতশিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বারী সিদ্দিকী: উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুরকার, গীতিকার, বংশীবাদক ও সংগীতশিল্পী বারী সিদ্দিকী। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর না-ফেরার দেশে চলে যান। তার দুটি কিডনি অকার্যকর ছিল। তিনি বহুমূত্র রোগে ভুগছিলেন। পরদিন বারি সিদ্দিকীর ‘বাউল বাড়ি’ নেত্রকোনার চল্লিশা গ্রামে তাকে দাফন করা হয়।
মিজু আহমেদ: ঢাকাই চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ। দাপটের সঙ্গে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। চলতি বছরের ২৭ মার্চ ইলিয়াস ভূঁইয়ার পরিচালনায় ‘মানুষ কেন অমানুষ’ সিনেমার শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন। যাত্রা পথে ট্রেনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান চলচ্চিত্রের এই গুণী অভিনেতা। কয়েক দফা জানাজা শেষে পরদিন তার মরদেহ কুষ্টিয়া জেলার কোটপাড়ায় নিজ গ্রামে দাফন করা হয়।
নাজমুল হুদা বাচ্চু: চলচ্চিত্র ও নাটকের প্রবীণ অভিনেতা নাজমুল হুদা বাচ্চু। চলতি বছরের ঈদের দুদিন আগে শুটিং থেকে ফিরে জ্বরে আক্রান্ত হন। রক্তচাপ অনেক কমে যাওয়ায় ঈদের দিন দুপুরে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেডিকেল পরীক্ষার পর তার হৃদযন্ত্রে সমস্যা ধরা পড়ে। গত ২৮ জুন ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আবদুর রাতিন: মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের গুণী অভিনেতা আবদুর রাতিন। চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে লিভার ও কিডনিজনিত জটিলতা ধরা পড়ে। অবশেষে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে চলতি বছরের ১৮ জুলাই না-ফেরার দেশে চলে যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। নারিন্দার বিনোদ বিবি মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে স্বামীবাগে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ ডিসেম্বর ২০১৭/রাহাত/তারা
নায়করাজ রাজ্জাক: বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক। দুই বাংলায় তিনি সমান জনপ্রিয়। অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চলতি বছরের ২১ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় চলচ্চিত্রপাড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কয়েক দফা জানাজা শেষে ২৩ আগস্ট দুপুরে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবদুল জব্বার: বাংলা গানের কিংবদন্তি, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ আগস্ট মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। পরদিন ৩১ আগস্ট বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন আব্দুল জব্বার।
লাকী আখন্দ: বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী লাকী আখন্দ। গত ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক এই শিল্পীকে মৃত ঘোষণা করেন। ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন এই মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতশিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বারী সিদ্দিকী: উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুরকার, গীতিকার, বংশীবাদক ও সংগীতশিল্পী বারী সিদ্দিকী। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর না-ফেরার দেশে চলে যান। তার দুটি কিডনি অকার্যকর ছিল। তিনি বহুমূত্র রোগে ভুগছিলেন। পরদিন বারি সিদ্দিকীর ‘বাউল বাড়ি’ নেত্রকোনার চল্লিশা গ্রামে তাকে দাফন করা হয়।
মিজু আহমেদ: ঢাকাই চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ। দাপটের সঙ্গে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। চলতি বছরের ২৭ মার্চ ইলিয়াস ভূঁইয়ার পরিচালনায় ‘মানুষ কেন অমানুষ’ সিনেমার শুটিং করতে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন। যাত্রা পথে ট্রেনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান চলচ্চিত্রের এই গুণী অভিনেতা। কয়েক দফা জানাজা শেষে পরদিন তার মরদেহ কুষ্টিয়া জেলার কোটপাড়ায় নিজ গ্রামে দাফন করা হয়।
নাজমুল হুদা বাচ্চু: চলচ্চিত্র ও নাটকের প্রবীণ অভিনেতা নাজমুল হুদা বাচ্চু। চলতি বছরের ঈদের দুদিন আগে শুটিং থেকে ফিরে জ্বরে আক্রান্ত হন। রক্তচাপ অনেক কমে যাওয়ায় ঈদের দিন দুপুরে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেডিকেল পরীক্ষার পর তার হৃদযন্ত্রে সমস্যা ধরা পড়ে। গত ২৮ জুন ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আবদুর রাতিন: মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের গুণী অভিনেতা আবদুর রাতিন। চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে লিভার ও কিডনিজনিত জটিলতা ধরা পড়ে। অবশেষে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে চলতি বছরের ১৮ জুলাই না-ফেরার দেশে চলে যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। নারিন্দার বিনোদ বিবি মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে স্বামীবাগে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ ডিসেম্বর ২০১৭/রাহাত/তারা
WEDDING DRESS G BOOK RECORD INFO FRENCH
বিয়ের পোশাকে ঢেকে যাবে মাউন্ট এভারেস্ট
|
|
রাশিদা নূর: পোশাক নাকি রেলগাড়ি!
শুরুটা দেখা গেলেও শেষটা খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেকে ভাবছেন এ আবার কেমন
পোশাক? হ্যাঁ, এটি অন্যান্য পোশাকের মতো দেখতে হলেও লম্বায় রাত-দিন তফাৎ।
অর্থাৎ পোশাকটির দৈর্ঘ্য আট কিলোমিটারেরও অধিক। সত্যি অবাক করা কাণ্ড।
নিজের বিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে ফ্রান্সের এক তরুণী এই অভিনব পোশাক বেছে
নিয়েছেন। বলা যায়, এতে তিনি সফল। কেননা পোশাকটি ইতিমধ্যে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে
নাম উঠিয়েছে গিনেস বুকের পাতায়।
ফরাসি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ডায়নামিক প্রজেক্ট তৈরি করেছে এই গাউন। সাধারণত নারীদের গাউন তৈরি করতে ৫ থেকে ১০ মিটার কাপড় যথেষ্ট। খুব বেশি হলে ২০ মিটার। সেখানে বিয়ের জন্য এই স্পেশাল সাদা গাউন তৈরি করা হয়েছে ৮ হাজার ৯৫ মিটার কাপড় দিয়ে। ১৫ জন কারিগর পোশাকের বিভিন্ন অংশ তৈরি করেছেন। তারপর সেগুলো জোড়া দেয়া হয়েছে। গিনেস বুক বলছে, বিয়ের এই পোশাক দিয়ে মাউন্ট এভারেস্ট ঢেকে ফেলা যাবে।
নির্মাণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত সর্ব সাধারণের জন্য পোশাকটি রাখা হয়েছে ফ্রান্সের কড্রিতে। পরে প্রত্যেকটি অংশ কেটে বিক্রি করা হবে। বিক্রয়কৃত অর্থ ব্যয় হয়ে সমাজসেবায়। ঠিক ১১ বছর আগে এই কোম্পানি বিশ্বের দীর্ঘতম আরেকটি পোশাকটি বানিয়েছিল। যার দৈর্ঘ্য ছিল ২ হাজার ৩ দশমিক ৯০ মিটার। এবার নতুন পোশাক বানিয়ে তারা নিজেরাই ভাঙল নিজেদের রেকর্ড।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৪ ডিসেম্বর ২০১৭/মারুফ/তারা
ফরাসি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ডায়নামিক প্রজেক্ট তৈরি করেছে এই গাউন। সাধারণত নারীদের গাউন তৈরি করতে ৫ থেকে ১০ মিটার কাপড় যথেষ্ট। খুব বেশি হলে ২০ মিটার। সেখানে বিয়ের জন্য এই স্পেশাল সাদা গাউন তৈরি করা হয়েছে ৮ হাজার ৯৫ মিটার কাপড় দিয়ে। ১৫ জন কারিগর পোশাকের বিভিন্ন অংশ তৈরি করেছেন। তারপর সেগুলো জোড়া দেয়া হয়েছে। গিনেস বুক বলছে, বিয়ের এই পোশাক দিয়ে মাউন্ট এভারেস্ট ঢেকে ফেলা যাবে।
নির্মাণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত সর্ব সাধারণের জন্য পোশাকটি রাখা হয়েছে ফ্রান্সের কড্রিতে। পরে প্রত্যেকটি অংশ কেটে বিক্রি করা হবে। বিক্রয়কৃত অর্থ ব্যয় হয়ে সমাজসেবায়। ঠিক ১১ বছর আগে এই কোম্পানি বিশ্বের দীর্ঘতম আরেকটি পোশাকটি বানিয়েছিল। যার দৈর্ঘ্য ছিল ২ হাজার ৩ দশমিক ৯০ মিটার। এবার নতুন পোশাক বানিয়ে তারা নিজেরাই ভাঙল নিজেদের রেকর্ড।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৪ ডিসেম্বর ২০১৭/মারুফ/তারা
a village sold 1.36 crore euro in germany
১ কোটি ৩৬ লাখে গ্রাম বিক্রি
|
|
রাশিদা নূর: জার্মানির রাজধানী
বার্লিন থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট্ট একটি গ্রাম অ্যালউইন।
জীবিকার তাগিদে গ্রাম ছেড়ে অনত্র চলে গেছেন সিংহভাগ বাসিন্দা। অবশিষ্ট আছে
হাতে গোনা ২০জন প্রবীণ। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটে তাদের। রোজগার
বলতে কিছুই নেই। খেয়ে না খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছে তারা। অনেকের আবার
রোগে-শোকে যায়যায় অবস্থা। এমন অবহেলিত গ্রামটি এখন চলে গেছে অন্যের হাতে।
সম্প্রতি নিলামে তোলা হয় অ্যালউইন গ্রামটি। শুরুতে এর দাম উঠেছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ইউরো। শেষমেশ ১ লাখ ৪০ হাজার ইউরো দিয়ে গ্রামটি কিনে নিয়েছেন অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ২০০০ সালেও এক দফা বিক্রি হয়েছিল ১৬ হাজার বর্গমিটার আয়তনের গ্রামটি। ইউরো চালু হওয়ার আগে জার্মানির মুদ্রা ছিল ডয়েসমার্ক। সে সময় নামমাত্র এক ডয়েসমার্ক দিয়ে এক ব্যক্তির কাছে গ্রামটি বিক্রি করে দেয়া হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নেতা হিটলারের তরুণ সেনারা এই গ্রামে প্রশিক্ষণ নিত। এ ছাড়া যুদ্ধবন্দীদেরও সেখানেই রাখা হতো। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে এই গ্রাম পূর্ব জার্মানির অংশ হয়।
নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত কমিউনিস্ট শাসিত সাবেক পূর্ব জার্মানির অন্তর্ভুক্ত ছিল অ্যালউইন। দিনভর কাজ করে পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিন কাটাত তখনকার গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের পাশেই ছিল ইটভাটা। যেখানে বহুলোক কাজ করতো। প্রায় রাতেই বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভেসে আসত গানের আওয়াজ।
১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়ে যাওয়ার পর অ্যালউইন গ্রামের সুখের সংসারগুলোতে নেমে আসে ঘোরতর অন্ধকার। ধীরে ধীরে মানুষগুলোও চলে যেতে থাকে। হঠাৎ একদিন ইটভাটাও বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তেই শত শত মানুষের কপালে হাত। কী আর করা! রুটি-রুজির জন্য প্রিয় জন্মস্থান ছেড়ে দূর-দুরান্তে পাড়ি জমাতে থাকে অসংখ্য মানুষ। এভাবে হইচই আর লোকে লোকারণ্য গ্রামটি একদিন হয়ে যায় নীরব-নিস্তব্ধ।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ ডিসেম্বর ২০১৭/মারুফ/তারা
সম্প্রতি নিলামে তোলা হয় অ্যালউইন গ্রামটি। শুরুতে এর দাম উঠেছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ইউরো। শেষমেশ ১ লাখ ৪০ হাজার ইউরো দিয়ে গ্রামটি কিনে নিয়েছেন অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ২০০০ সালেও এক দফা বিক্রি হয়েছিল ১৬ হাজার বর্গমিটার আয়তনের গ্রামটি। ইউরো চালু হওয়ার আগে জার্মানির মুদ্রা ছিল ডয়েসমার্ক। সে সময় নামমাত্র এক ডয়েসমার্ক দিয়ে এক ব্যক্তির কাছে গ্রামটি বিক্রি করে দেয়া হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নেতা হিটলারের তরুণ সেনারা এই গ্রামে প্রশিক্ষণ নিত। এ ছাড়া যুদ্ধবন্দীদেরও সেখানেই রাখা হতো। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে এই গ্রাম পূর্ব জার্মানির অংশ হয়।
নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত কমিউনিস্ট শাসিত সাবেক পূর্ব জার্মানির অন্তর্ভুক্ত ছিল অ্যালউইন। দিনভর কাজ করে পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিন কাটাত তখনকার গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের পাশেই ছিল ইটভাটা। যেখানে বহুলোক কাজ করতো। প্রায় রাতেই বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভেসে আসত গানের আওয়াজ।
১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়ে যাওয়ার পর অ্যালউইন গ্রামের সুখের সংসারগুলোতে নেমে আসে ঘোরতর অন্ধকার। ধীরে ধীরে মানুষগুলোও চলে যেতে থাকে। হঠাৎ একদিন ইটভাটাও বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তেই শত শত মানুষের কপালে হাত। কী আর করা! রুটি-রুজির জন্য প্রিয় জন্মস্থান ছেড়ে দূর-দুরান্তে পাড়ি জমাতে থাকে অসংখ্য মানুষ। এভাবে হইচই আর লোকে লোকারণ্য গ্রামটি একদিন হয়ে যায় নীরব-নিস্তব্ধ।
রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ ডিসেম্বর ২০১৭/মারুফ/তারা
Subscribe to:
Posts (Atom)