Monday, 18 December 2017

thyroid test info

নিজেই করুন থাইরয়েড পরীক্ষা

এস এম গল্প ইকবাল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১৭ ৯:৪৪:৫৯ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১৮ ৪:৫০:২৮ পিএম
প্রতীকী ছবি
এস এম গল্প ইকবাল : আপনি কি আপনার স্বাস্থ্যের প্রতি ভালো মনোযোগ দিচ্ছেন? আপনি চাইলে এটি এখনই আপনার ঘরে শুরু করতে পারেন।

এবিসি নিউজ মেডিক্যাল কান্ট্রিবিউটর ড. নাটালি অ্যাজার টুডে ডটকমকে কিছু এটি-নিজে-করুন স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা বলেছেন, যার প্রত্যেকটি করতে কেবল ৬০ সেকেন্ড সময় লাগে।

এর মধ্যে রয়েছে পা বাঁকা করে বসা ও ওঠার মাধ্যমে দীর্ঘায়ু বোঝার পরীক্ষা, জানালার ফ্রেমে তাকানোর মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি বোঝার পরীক্ষা, ঘড়ি আঁকার মাধ্যমে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশতা পরীক্ষা, কাগজের সাহায্যে থাইরয়েডের এবং বালিশের সাহায্যে ধমনীর সমস্যা বোঝার পরীক্ষা। এ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজকের পর্বে ঘরে বসে থাইরয়েড পরীক্ষা করার উপায় জেনে নিন।

সমস্যাপূর্ণ থাইরয়েডের জন্য কম্পন পরীক্ষা
* আপনার হাতের তালুকে নিচের দিকে রেখে হাতটি সোজা প্রসারিত করুন এবং এর অগ্রভাগে এক খন্ড কাগজ রাখুন।

* কাগজটি কাঁপছে বা নড়ছে কিনা লক্ষ্য করুন, যদি তাই হয় তাহলে তা হাইপারথাইরয়েডিজমের একটি লক্ষণ হতে পারে।

শরীরের কম্পন এত ছোট হতে পারে যে তা নিজের চোখে দেখতে ব্যর্থ হতে পারেন, কিন্তু কাগজ যেকোনো কম্পনকে লক্ষণীয় করে তুলতে পারে।

হাইপারথাইরয়েডিজমের ক্ষেত্রে থাইরয়েডের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শরীরের কার্যক্রম অতিদ্রুত চালিত হয়, যা নারীদের ক্ষেত্রে বেশি কমন এবং নারীদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে চারগুণ বেশি।

* মনে রাখবেন যে, সামান্য কম্পন সাধারণ হতে পারে এবং তা হতে পারে ক্যাফেইন, অ্যাজমার ওষুধ, উদ্বিগ্নতা অথবা নিম্ন রক্ত শর্করা মাত্রার কারণে।

তথ্যসূত্র : টুডে

পড়ুন : ৬০ সেকেন্ডে নিজেই করুন দীর্ঘায়ু পরীক্ষা



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ

HIV update info

এইচআইভি এবং এইডস সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য

এস এম গল্প ইকবাল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১৮ ১০:১২:৪৯ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১৮ ১:৫৯:৫৫ পিএম
প্রতীকী ছবি
এস এম গল্প ইকবাল : এইডস হচ্ছে, এইচআইভি ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি রোগ যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে।

এইডস এবং এইচআইভি সম্পর্কে এমন অনেক তথ্য আছে যা সম্পর্কে হয়তো আমরা জানি না। এইডস এবং এইচআইভি সম্পর্কে ১৩টি তথ্য নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

১. টাইমিংই সবকিছু
যারা ৮০’র মাঝামাঝিতে পুরোপুরি প্রাপ্তবয়স্ক ছিল তাদের তুলনায় জার (এক্স) প্রজন্ম, মিলেনিয়াল প্রজন্ম এবং এর পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এইডসকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখা হয়। যদি আপনার মধ্যে ১৯৮৫ সালে এইডস নির্ণীত হতো, আপনি হয়তো ইতোমধ্যে মারা যেতেন, কিন্তু যদি ১৯৯৫ সালে এইডস নির্ণীত হতো, আপনি হয়তো এখনো জীবিত থাকতে পারতেন।

কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস ফর দ্য আমেরিকান কাউন্সিল অন সায়েন্স অ্যান্ড হেলথের পরিচালক জোশ ব্লুম বলেন, ‘এর কারণ হচ্ছে- এই ভাইরাস শণাক্তকরণের পর প্রথম ওষুধ এজেডটি, এটি অনুমোদিত হতে আট বছর লেগে যায় এবং ১৯৮৯ সালে তা অনুমোদিত হয়।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এজেডটি কাজ করে করেনি।’ তিনি যোগ করেন, ‘রোশে কর্তৃক আবিষ্কৃত প্রথম কার্যকরী ওষুধ ইনভারেজ অনুমোদিত হতে আরো ছয় লেগে যায় এবং এটি ১৯৯৫ সালে অনুমোদিত হয়।’ দৈবাধীনের বছরগুলোতে এইডস জনিত মৃত্যুহার না কমলেও বর্তমানে হ্রাস পাচ্ছে এবং এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়।

২. এইচআইভি রোগীরা বার্ধক্যগ্রস্ত হচ্ছে
এইচআইভি সংক্রমিত লোকেরা দীর্ঘ জীবনযাপন করছেন, যার জন্য উচ্চ কার্যকরী চিকিৎসা অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য, কিন্তু বার্ধক্য তাদেরকে গ্রাস করছে। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অনুসারে, ২০১৪ সালে আনুমানিক ৪৫ শতাংশ এইচআইভি নির্ণীত আমেরিকানের বয়স ছিল ৫০ বছর, ২৭ শতাংশের বয়স ছিল ৫৫ বছর এবং ৬ শতাংশের বয়স ছিল ৬৫ বছর। ধারণা করা হচ্ছে যে কয়েক বছরের মধ্যে এইচআইভিতে ভোগা লোকদের অর্ধেকেরও বেশির বয়স ৫০ বছর পার হবে। দ্য ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েক্সনার মেডিক্যাল সেন্টার ডিভিশন অব ইনফেকশাস ডিজিজের ডাক্তার কার্লোস ম্যালভেসটুট্টো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ডায়াগনোসিসের সময় তরুণ লোকদের তুলনায় বার্ধক্যগ্রস্ত লোকদের মধ্যে আরো উন্নত এইচআইভি ইনফেকশন নির্ণীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’ তিনি যোগ করেন, ‘বার্ধক্যগ্রস্ত ব্যক্তিরা নিজেদেরকে এইচআইভি ইনফেকশনের ঝুঁকিতে আছেন বলে বিবেচনা না করার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা স্বাভাবিক বার্ধক্যগ্রস্ততার কারণে এইচআইভি উপসর্গ নির্ণয়ে ভুল করতে পারে।’ অনেক বার্ধক্যগ্রস্ত লোক যৌনক্রিয়ায় সক্রিয় থাকে এবং তাদের এইচআইভি প্রতিরোধের জ্ঞানের অভাব থাকতে পারে। বয়স যতই হোক না কেন, ডা. ম্যালভেসটুট্টো এইচআইভি টেস্টের গুরুত্বের ওপর জোর দেন, তিনি রোগীদের সঙ্গে যৌনক্রিয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের ওপর খোলামেলা আলোচনার জন্যও জোর দেন।

৩. অনেকেই জানে না তাদের এইচআইভি আছে
সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, এইচআইভি স্ট্যাটাস নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলেও এইচআইভি নিয়ে বাস করা প্রায় ৭ জনের মধ্যে ১ জন অথবা প্রায় ১৫ শতাংশ আমেরিকান এটি সম্পর্কে জানে না। ডা. ম্যালভেসটুট্টো বলেন, ‘এইচআইভি পরীক্ষা খুব সংবেদনশীল ও দ্রুত পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে, যা প্রায় ৪০ মিনিটের মধ্যে ফলাফল প্রদান করতে পারে এবং খুব সম্প্রতি অর্জিত এইচআইভি ইনফেকশন শণাক্ত করতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, ‘সিডিসির গাইডলাইনে ১৩ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে এইচআইভি পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হলেও এইচআইভি থাকা অনেক লোক রোগটি অগ্রসর পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত সচেতন হয় না।’ এ কারণে সকলের কাছে এইচআইভি পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা উচিত যাতে সকল রোগীর এইচআইভি নির্ণীত হয় এবং যত দ্রুত সম্ভব এইচআইভির চিকিৎসা শুরু করা যায়।

৪. সকল এইচআইভি রক্ত পরীক্ষা একরকম নয়
বিভিন্ন রকম এইচআইভি পরীক্ষা আছে, যেমন- এইচআইভি অ্যান্টিবডি টেস্ট এবং এইচআইভি অ্যান্টিবডি/অ্যান্টিজেন টেস্ট, যাদের প্রত্যেকটির নিজস্ব সুবিধা ও শণাক্তকরণ পদ্ধতি আছে। অ্যাবটের একজন সিনিয়র বিজ্ঞানী মেরি রজার্স বলেন, ‘মূলত, পরীক্ষাসমূহের কাজ করার আগেই ভাইরাসটির প্রতি শরীরের ইমিউন প্রতিক্রিয়া গড়ে ওঠা প্রয়োজন হয়।’ এইচআইভি অ্যান্টিবডি টেস্ট হল একটি রক্ত পরীক্ষা যা অ্যান্টিবডির জন্য রক্তের নমুনা খোঁজে যা এইচআইভির প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইমিউন সিস্টেম দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিল। এইচআইভি ভাইরাসের প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে আপনার শরীরের পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি উৎপাদনে তিন থেকে বার সপ্তাহ লেগে যায় এবং এইচআইভি পরীক্ষায় নির্ভুল ফলাফল পেতেও সময়ের এ রেঞ্জ লাগতে পারে।’ অন্যদিকে, এইচআইভি অ্যান্টিবডি/অ্যান্টিজেন টেস্ট অ্যান্টিবডির সঙ্গে অ্যান্টিজেন নামে পরিচিত প্রকৃত ভাইরাসের প্রকৃতিও শণাক্ত করতে পারে, তাই এই সমন্বয় পরীক্ষা তাড়াতাড়ি এইচআইভি উদঘাটনে সমর্থ হয়। ডা. ম্যালভেসটুট্টো বলেন, ‘আপনার রক্তে যথেষ্ট অ্যান্টিজেন হতে মাত্র দুই থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগে।’

৫. চিকিৎসা অধিক কার্যকরী, সুবিধাজনক ও সহনীয় হচ্ছে
পূর্বে ওষুধের একটি ককটেলে অনেক পিল অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং দিনে অনেকবার সেবন করতে হতো এবং এ স্বাস্থ্যবিধির সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, শরীরের চর্বির পুনর্বিন্যাস, কোলেস্টেরল মাত্রা বৃদ্ধি, মাথা ঘোরা, প্রাণবন্ত স্বপ্ন (যে স্বপ্নকে বাস্তবতা থেকে আলাদা ভাবা কঠিন) এবং বিষণ্নতার মতো অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জড়িত ছিল। ডা. ম্যালভেসটুট্টো বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের অনেক সমন্বিত স্বাস্থ্যবিধি আছে যা প্রবলভাবে কার্যকর এবং যৎসামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যদি থাকে) সৃষ্টি করে।’ আজকের এইডস রোগীরা প্রয়োজনীয় সমস্ত ওষুধ তাদের সুবিধার্থে এক-পিল-এক-দিন স্বাস্থ্যবিধির আওতায় একসঙ্গে পেতে পারে। নিকট ভবিষ্যতে আমরা দীর্ঘ-কার্যকরী ওষুধ পেতে পারি, যেখানে এমনকি দিনে একটি পিলেরও প্রয়োজন হবে না, এর পরিবর্তে আমরা ইনজেক্ট্যাবল ওষুধ (গবেষণাধীন) প্রয়োগ করতে পারি, যা দুই মাসে একবার প্রয়োগ করা যেতে পারে এবং তা মৌখিক চিকিৎসা স্বাস্থ্যবিধির মতো ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

৬. উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের এইচআইভি অর্জন ঠেকাতে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে
যদিও এইচআইভি প্রতিরোধযোগ্য টিকা এখনো পাওয়া যায় না, কিন্তু যারা এইচআইভি অর্জনের উচ্চ ঝুঁকিতে আছে তাদের জন্য এইচআইভি ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য প্রতিদিন মুখে সেবনযোগ্য ওষুধ আছে। ডা. ম্যালভেসটুট্টো বলেন, ‘সম্প্রতি অনুমোদিত ওষুধটি একটি পিল যা দুটি ওষুধের সমন্বয় (টেনোফোভার এবং এমট্রিসিটাবিন) এবং এটি উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা অসংক্রমিত লোকদের এইচআইভি অর্জন প্রতিরোধ করতে ৯৪ শতাংশেরও বেশি কার্যকর।’ এরকম প্রতিরোধকে প্রি-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস বলে। ডা. ম্যালভেসটুট্টো বলেন, ‘২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) কর্তৃক এটি অনুমোদিত হয় এবং সারাবিশ্বে এটি সম্পর্কে সচেতনতা ও এটির প্রয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।’ অনেক শহরে এটি সমন্বিত এইচআইভি কন্ট্রোল সার্জারির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আশা করা হচ্ছে যে, নিকট ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধরনের প্রি-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস পাওয়া যাবে যেখানে দৈনিক পিল সেবনের প্রয়োজন হবে না, যেমন- ভ্যাজাইনাল রিং, সাবকিউট্যানিয়াস ইমপ্লান্ট (যা ধীরে ধীরে ওষুধ রিলিজ করবে) এবং দীর্ঘ-কার্যকরী ইনজেক্ট্যাবল ওষুধ (যা প্রতি আট সপ্তাহে একবার প্রয়োগ করা হবে)।

(আগামী পর্বে সমাপ্য)

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৮ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ

Sunday, 17 December 2017

ear phone info

যে কারণে অন্যের ইয়ারফোন ব্যবহার করবেন না

মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১৭ ৩:০৩:২২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১৭ ৪:৪৫:৩৫ পিএম
প্রতীকী ছবি
লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমরা অনেকেই অন্যের ইয়ারফোন ব্যবহার করি। প্রিয় বন্ধু কিংবা সহকর্মীর কাছ থেকে কাজের প্রয়োজনে তার ইয়ারফোন ব্যবহার করাটা দোষের কিছু নয়। তাই তো? স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সত্যিটা তাহলে এবার জেনে নিন।

কানের ভেতরে সুরক্ষা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে শরীরের প্রাকৃতিক উপায় কানের খইল। এই মোমে ব্যাকটেরিয়া থাকলেও, তা বেশ নিরীহ গোছের।

কানে ইয়ারফোন লাগানোর পরে সেটি আপনার অন্ধকার কানের পরিবেশে থাকা ব্যাকটেরিয়াকে উষ্ণ করে তোলে এবং ইতিমধ্যে যদি ইয়াফোনে কোনো জীবাণু থেকে থাকে সেটিওকেও। ফলে নির্দোষ খইল এয়ারবাডসের (ইয়ারফোনের যে অংশ কানের ভেতরে থাকে) ওপর ঘাঁটি গাড়তে পারে। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কেলি রেনল্ডস বলেন, ‘এয়ারবাডসের লেয়ারে ব্যাকটেরিয়া আটকে থাকতে পারে এবং কানের ময়লা শুকিয়ে যেতে দেয় না, ফলে ব্যাকটেরিয়া বেচেঁ থাকতে পারে এবং বৃদ্ধি পেতে পারে।’

সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া হেড অ্যান্ড নেক মেডিকেল গ্রুপের ওটোল্যারিঙ্গোলজিস্ট ডা. আব্বাস আনোয়ার বলেন, ‘যদি এই ব্যাকটেরিয়া অনেক বেশি সংখ্যক হয়ে যায়, তাহলে এটি ইনফেকশনের কারণ হয়ে উঠতে পারে।’

এছাড়া কখনো কখনো এয়ারবাডস দীর্ঘ সময় যেমন ঘুম বা ব্যায়ামের সময় থাকায় ঘষা থেকে কানে সামান্য ক্ষত বা কাটা সৃষ্টি করতে পারে। এই ক্ষত বা কাটায় ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে ইনফেকশন ঘটাতে পারে এবং কানে ব্যাথার সৃষ্টি করতে পারে।

এবার ভাবুন, আপনার নিজের ক্ষেত্রে যদি অতিরিক্ত ইয়ারফোন বা হেডফোনের ব্যবহার এসব সমস্যার ‍সৃষ্টি করতে পারে, তাহলে অন্যের ইয়ারফোন ব্যবহারের ফলাফল কেমন হতে পারে। ডা. আব্বাস আনোয়ার বলেন, ‘অন্যের ইয়ারফোন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার কানে নতুন এবং আরো অনেক ব্যাকটেরিয়া প্রবর্তন করছেন। আপনার বন্ধুরা তাদের এয়ারবাডস পরিষ্কার করেছে কিনা, তা সম্ভবত আপনার জানা নেই। তাদের টেবিলে কিংবা ব্যাগে রাখা ইয়ারফোন থেকে নতুন ‘পরদেশি’ ব্যাকটেরিয়া আপনাকে কানে ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে।’

সুতরাং অন্যের ইয়ারফোন ব্যবহারের অভ্যাস বাদ দেওয়ার পাশাপাশি, আপনার নিজের ইয়ারফোনটিও আপনার কানের জন্য পরিষ্কার এবং নিরাপদ নিশ্চিত করুন।

আপনার ইয়ারফোন বা হেডফোনের এয়ারবাডস অ্যালকোহল দিয়ে মুছে রাখুন এবং শুকিয়ে পরিষ্কার রাখুন। এতে ইনফেকশন থেকে মুক্ত থাকবে কান।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট


রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ

salt mountain info

লবণের পাহাড়

শাহিদুল ইসলাম : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১১-২৬ ৮:০৩:৪৫ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১১-২৬ ১২:০২:১৮ পিএম

শাহিদুল ইসলাম : মন্টে ক্যালি। শ্বেত শুভ্র ছোট্ট একটি পাহাড়। জার্মানিতে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান।

তবে আর দশটা পাহাড় থেকে এটি একটু ভিন্ন। কারণ পাহাড় কাটলে সাধারণত মাটি বা পাথর পাওয়া যায়। কিন্তু এই পাহাড়টি কাটলে মাটির বদলে মিলবে খাওয়ার লবণ।

জার্মানির পূর্বাঞ্চালীয় হিস শহরের কাছেই পাহাড়টির অবস্থান। ধবধবে সাদা রঙয়ের এই পাহাড়টি প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়নি। মন্টে ক্যালি আসলে পটাশিয়ামের খনি থেকে বর্জ্য হিসেবে জমা হওয়া সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণের স্তূপ। তাই অনেকেই এটিকে লবণের পাহাড় বলে থাকেন।



প্রায় একশ বছর বা তার বেশি সময় ধরে জার্মানির এই অঞ্চলটি পটশিয়াম সমৃদ্ধ। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পটাশিয়ামের খনিটি এখানেই অবস্থিত। ফলে দশকের পর দশক ধরে এখানে পটাশিয়াম উত্তোলনের ফলে যে সোডিয়াম ক্লোরাইড জমা হয়েছে তা থেকেই এই লবণ পাহাড়ের উৎপত্তি।

৯৩ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত এই পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় দুইশত মিটার। ধারণা করা হয় পাহাড়টিতে প্রায় একশত আটাশি মিলিয়ন টন লবণ জমা রয়েছে এবং প্রতি বছর আরো সাড়ে ছয় মিলিয়ন টন লবণ জমা হচ্ছে।

তবে পাহাড়টি পর্যটকদের কাছে দর্শনীয় হলেও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কারণ পাহাড়ে জমে থাকা লবণ গলে  নানাভাবে মাটিতে মিশে যাচ্ছে যা তীব্র মাটি দূষণের জন্য দায়ী। এছাড়া কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক গাছ ছাড়া আশে পাশে এলাকাতে কোনো ধরনের গাছ জন্মাতে পারে না। তাছাড়া এটি উইরা নদীর পানি দূষণের জন্যও দায়ী।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ নভেম্বর ২০১৭/মারুফ/ফিরোজ

Saturday, 16 December 2017

victory day - 16 dec

বিজয় দিবসে ‘স্বাধীনতা’

রাহাত সাইফুল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১৬ ৪:২৩:২৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১৬ ৪:৪২:৪৮ পিএম

বিনোদন প্রতিবেদক: চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রযোজনা করছে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে এবার এই  প্রতিষ্ঠান থেকে নির্মাণ করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ‘স্বাধীনতা’।

চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন মো. আবিদ মল্লিক। চিত্রনাট্য লিখেছেন রোমিম রায়হান। মহান বিজয় দিবসে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই তাদের এই প্রয়াস বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। গতকাল ১৫ ডিসেম্বর রাতে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে চলচ্চিত্রটি প্রকাশ করা হয়।

আজ জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেজে এর লিংক দিয়ে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে: দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ, একটি মানচিত্র এবং লাল সবুজের একটি পতাকা। এই পতাকার সম্মান অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের। মহান বিজয় দিবসে সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

‘স্বাধীনতা’ স্বল্পদৈর্ঘ্য- http://www.risingbd.com/entertainment-news/249222



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ ডিসেম্বর ২০১৭/রাহাত/তারা

60 sec can make healthy life

৬০ সেকেন্ডে নিজেই করুন দীর্ঘায়ু পরীক্ষা

এস এম গল্প ইকবাল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১২ ১০:৪১:২২ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১২ ১২:৪৮:০০ পিএম
প্রতীকী ছবি
এস এম গল্প ইকবাল : আপনি কি আপনার স্বাস্থ্যের প্রতি ভালো মনোযোগ দিচ্ছেন? আপনি চাইলে এটি এখনই আপনার ঘরে শুরু করতে পারেন।

এবিসি নিউজ মেডিক্যাল কান্ট্রিবিউটর ড. নাটালি অ্যাজার টুডে ডটকমকে কিছু এটি-নিজে-করুন স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা বলেছেন, যার প্রত্যেকটি করতে কেবল ৬০ সেকেন্ড সময় লাগে।

এর মধ্যে রয়েছে পা বাঁকা করে বসা ও ওঠার মাধ্যমে দীর্ঘায়ু বোঝার পরীক্ষা, জানালার ফ্রেমে তাকানোর মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি বোঝার পরীক্ষা, ঘড়ি আঁকার মাধ্যমে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশতা পরীক্ষা, কাগজের সাহায্যে থাইরয়েডের এবং বালিশের সাহায্যে ধমনীর সমস্যা বোঝার পরীক্ষা। এ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজকের প্রথম পর্বে দীর্ঘায়ুর পরীক্ষাটি জেনে নিন।

তৎপরতা ও দীর্ঘায়ুর জন্য ক্রস-লেগড স্কোয়াট টেস্ট
আপনার পা-কে ক্রস বানান এবং স্কোয়াট ডাউন হয়ে মেঝেতে বসুন। তারপর এভাবেই উঠে দাড়ান। যদি আপনার এ পজিশনে সরাসরি বসতে এবং উঠতে পারেন অর্থাৎ টলে না পড়েন তাহলে ১০-এ ১০ পয়েন্ট পাবেন। কিন্তু যদি আপনি বসার সময় হাতের ভরের সাহায্য নেন, তাহলে ১ পয়েন্ট হারাবেন। উঠে দাড়ানোর সময় হাতের ভরের সাহায্য নিলে ১ পয়েন্ট হারাবেন।

মাংসপেশীর শক্তি, ভারসাম্য, নমনীয়তা ও তৎপরতার এই পরীক্ষায় স্কোর ৮ বা তার বেশি পেতে চেষ্টা করুন।

এই পরীক্ষা কিভাবে দীর্ঘায়ুর ভবিষ্যদ্বাণী করে? ডা. অ্যাজার বলেন, ‘এটি সঠিক সতর্কবার্তা প্রদান করে দীর্ঘায়ুর ভবিষ্যদ্বাণী করে থাকে। আপনার স্কোর যত কমবে, তত বেশি সম্ভাবনা থাকে যে আপনি আগামী ছয় বছরের মধ্যে মারা যাচ্ছেন।’



তথ্যসূত্র : টুডে http://www.risingbd.com/prescription-news/248746



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১২ ডিসেম্বর ২০১৭/ফিরোজ

Marine fish museum accurium

মেরিন ফিশ অ্যাকুরিয়ামে মুগ্ধ দর্শনার্থী

সুজাউদ্দিন রুবেল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১৩ ৩:০২:৩৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১৩ ৩:০২:৩৪ পিএম

সুজাউদ্দিন রুবেল, কক্সবাজার : পর্যটনের জেলাখ্যাত কক্সবাজারের ঝাউতলায় বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে মেরিন ফিশ অ্যাকুরিয়াম। পর্যটকদের সাগর তলের স্বাদ পাইয়ে দিতেই অ্যাকুরিয়ামটির সৃষ্টি।

নান্দনিক শিল্পকর্ম ও বৈদ্যুতিক আলোয় ঝলমলে ছোট-বড় শতাধিক অ্যাকুরিয়াম সাজানো হয়েছে সুড়ঙ্গের মতো করে । তাতে রাখা হয়েছে নানা জাতের সামুদ্রিক মাছ। এ যেন সাগরতলের মাছের রাজ্য।

সুড়ঙ্গ দিয়ে ঢুকতেই হঠাৎ হাজির হতে পারে বিশাল এক হাঙ্গর, যার ওজন প্রায় ৫০ কেজি। ছুটে আসতে পারে মানুষ খেকো মাছ পিরানহাও। তারপর দেখা মিলবে লবস্টার, কোরাল, জেলি ফিশসহ নানা মাছ। অ্যাকুরিয়ামগুলোতে রাখা হয়েছে কৃত্রিম প্রবাল। সেই প্রবালের ভেতরে রং বেরঙের মাছ সাঁতরে বেড়াচ্ছে। এ ছাড়াও আছে কচ্ছপ-কাঁকড়াসহ সাগরের গভীর তলদেশের নানা কীটপতঙ্গ।

সংশ্লিষ্টরা জানালেন, এটাই দেশের প্রথম ও একমাত্র মেরিন ফিশ অ্যাকুরিয়াম।পর্যটন শিল্প বিকাশে তাদের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা । এখানে দেখা যাবে সাগরতলের  অপরূপ প্রকৃতি।



এ অ্যাকুরিয়ামে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সমুদ্রের গভীর তলদেশে প্রাণি বসবাসের চিত্র। আছে গাছপালা লতাপাতা ফুল। ইটপাথর আর কংক্রিটে আবদ্ধ জীবনে থেকে এখানে এসে নিঃসন্দেহে মুগ্ধ হবেন দেশি-বিদেশি পর্যটক ও  দর্শনার্থী।

এখানে মা-বাবা’র সাথে ঘুরতে আসা শিশু সাবিম জানায়- সার্ক, লবস্টার, কাঁকড়া ও জেলি ফিশ দেখে সে খুবই মজা পেয়েছে। যারা আসছেন, তাদের সকলের অভিব্যক্তিই এ রকম।

প্রায় একশো কোটি ব্যয়ে বেসরকারিভাবে অ্যাকুরিয়ামটি তৈরি করেছে রেডিয়েন্ট গ্রুপ। স্বত্বাধিকারী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন- ‘সাগরের তলদেশে থাকা প্রবাল, শৈবাল ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রাখা হয়েছে এখানে। দর্শনার্থীরাও এগুলো বেশ উপভোগ করছেন।’

তিনি বলেন, ‘অ্যাকুরিয়ামটিতে মূলত বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন প্রজাতির দু’শতাধিক সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। অচেনা এবং সাগরের বিলুপ্ত প্রায় মাছও রয়েছে এখানে। এটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, সাগরের জীববৈচিত্র্য ও প্রাণী সম্পর্কে জানার একটি শিক্ষা কেন্দ্রও।’



কক্সবাজারের চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ‘কক্সবাজারে এ রকম আধুনিক আরও অ্যাকুরিয়াম তৈরি হলে পর্যটক ও স্থানীয়রা সমুদ্রের তলদেশ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এটা পর্যটকদের জন্য বিনোদনের একটি আলাদা মাত্রা যোগ করবে।’



রাইজিংবিডি/কক্সবাজার/১৩ ডিসেম্বর ২০১৭/সুজাউদ্দিন রুবেল/টিপু