Thursday, 5 January 2017

2 Veg fair in dhaka

রাজধানীতে শুরু হয়েছে সবজি মেলা

আরিফ সাওন : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:05 Jan 2017   02:35:41 PM   Thursday   
রাজধানীতে শুরু হয়েছে সবজি মেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীতে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী সবজি মেলা।

বৃহস্পতিবার সকালে ফার্মগেটে আ কা মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী চত্বরে এই মেলা শুরু হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শুরু হওয়া এ মেলা আগামী ৭ জানুয়ারি শেষ হবে।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় সবকারি–বেসরকারি মিলে ৪৮টি স্টল রয়েছে। কোনো কোনো স্টল থেকে প্রদর্শনী এবং কোনো কোনো স্টল থেকে সবজি বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ৪৮টি স্টলে এ বছর কত প্রকার সবজি আছে, তা নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।

মেলা উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দ্বিতীয় প্লাজা হতে র‌্যালি বের করা হয়। পরে মেলা উপলক্ষে উদ্বোধন অনুষ্ঠান করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে দুপুরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিসহ অন্য অতিথিরা মেলা ঘুরে ঘুরে স্টল পরিদর্শন করেন।

এর আগে গত বছর প্রথমবারের মতো সবজি মেলার আয়োজন করা হয়। ২০১৬ সালে ১৭ জানুয়ারি মেলা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৯ জানুয়ারি। গত বছর ৭২টি স্টলে ১১২ প্রকার সবজি ছিল।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ জানুয়ারি ২০১৭/আরিফ সাওন/সাইফুল

Wednesday, 4 January 2017

leaser weapons by usa


লেজার অস্ত্র তৈরি করছে যুক্তরাজ্য 

রাসেল পারভেজ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:05 Jan 2017   12:23:31 PM   Thursday   ||   Updated:05 Jan 2017   12:58:23 PM   Thursday
লেজার অস্ত্র তৈরি করছে যুক্তরাজ্য
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লেজার অস্ত্র তৈরি করছে যুক্তরাজ্য। এ জন্য তাদের খরচ হবে ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড।

যৌথভাবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে লেজার অস্ত্র তৈরির কন্ট্রাক্ট পেয়েছে কয়েকটি ইউরোপীয় অস্ত্র তৈরির প্রতিষ্ঠান।

প্রযুক্তির হাত ধরে ‘নির্দেশিত শক্তি’ থেকে উৎপাদিত কোনো অস্ত্র সশস্ত্র বাহিনীর উপকারে আসে কি না, তা যাচাই করে দেখতে এ খাতে বিনিয়োগ করছে যুক্তরাজ্য। ২০১৯ সাল নাগাদ অস্ত্র তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে।

জলে-স্থলে বিভিন্ন দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে ভিন্ন ভিন্ন আবহাওয়ায় এ ধরনের অস্ত্র কতটা সঠিকভাবে আঘাত করতে পারে, তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে।

যুক্তরাজ্যের ডিফেন্স সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী পিটার কুপার জানিয়েছেন, উচ্চ ক্ষমতার লেজার অস্ত্র তৈরি ও এ জাতীয় অস্ত্রের সম্ভাবনা যাচাইয়ে এটি একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প হবে। আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনী হুমকি মোকাবিলায় এ অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ জানুয়ারি ২০১৭/রাসেল পারভেজ

Time boam under us

টাইম বোমার ওপর ঢাকা, ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল

হাসান মাহামুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:05 Jan 2017   09:13:10 AM   Thursday   ||   Updated:05 Jan 2017   12:57:57 PM   Thursday
টাইম বোমার ওপর ঢাকা, ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল
হাসান মাহামুদ : ভারত, ইউরেশিয়ান ও মিয়ানমার- তিনটি গতিশীল প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান।

ভূতাত্ত্বিক এই অবস্থানের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে বাংলাদেশে। দেশের দুই দিকের ভূগঠনে শক্তিশালী ভূমিকম্পের শক্তি জমা হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত-মিয়ানমারের সংযোগস্থলের ভূগর্ভে বিশাল ফাটলের সন্ধান পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, একটি টাইম বোমার ওপর রয়েছে ঢাকা। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের ভূমিকম্প। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগের পর নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে প্রয়োজনীয় খোলা জায়গাও নেই ঢাকায়।

বিশেষ করে নেপাল এবং ভারতের অস্থিতিশীল প্রভাবে চলতি বছরের প্রথম চার মাসের মধ্যেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার কেন্দ্রস্থল হতে পারে বাংলাদেশের খুব নিকটে। এতে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক অবস্থান বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এমন আশঙ্কা করছেন। তারা বলছেন, যেকোনো সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে। রাজধানী ঢাকার আশপাশে বড় মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে ঢাকা মহানগরীর।

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, ঢাকার মধ্যে বড় ভূমিকম্প সৃষ্টির মতো ভূতাত্ত্বিক অবস্থা নেই। রয়েছে সিলেট এবং চট্টগ্রামে। কিন্তু এই স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাজধানী ঢাকা। কারণ ঢাকার ভূগর্ভস্থ স্তর অনেকটাই ফাঁপা।

মূলত টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষে ভূমিকম্প হয়। বাংলাদেশ এ ধরনের তিনটি প্লেটের মধ্যে অবস্থিত। এ ছাড়া দেশের মধ্যে থাকা চ্যুতি বা ফল্ট লাইনগুলো যেকোনো সময় ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দিন আহমেদ জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছাকাছি, যা ঢাকা থেকে ১৭৬ কিলোমিটার দূরে। এই ভূমিকম্পে ঢাকার বাইরে দুজন মারাও গেছেন।

ভূতাত্ত্বিকরা বলছেন, দেশের মধ্যে থাকা চ্যুতি বা ফল্ট লাইনগুলোও যেকোনো সময় ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগের পর নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে প্রয়োজনীয় খোলা জায়গাও নেই ঢাকা শহরে। ভূমিকম্পের দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত উন্মুক্ত জায়গা দরকার।’

তিনি আরো বলেন, ‘এককথায়, ঢাকা একটি টাইম বোমার ওপর রয়েছে। বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানীর কাছে ভূমিকম্প হলে তা সাম্প্রতিক বিপর্যয়কে ম্লান করে দেবে।’

এদিকে, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটেও বাংলাদেশ সম্পর্কে উদ্বেগজনক তথ্য উপস্থাপন করা রয়েছে। বাংলাদেশের গভীর তলদেশে সক্রিয় হচ্ছে বহুপূর্বে সমাহিত হওয়া ‘ফল্টস’।

ভূমিকম্পের পূর্বাভাস রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশেরও। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও পরমাণু বিজ্ঞানী মেহরান কেশে কয়েকদিন আগেই বলেছেন, ‘সম্ভবত নতুন বছরেই বিশ্বে এক ভয়াবহ মহাভূমিকম্প ঘটতে চলেছে। যে ভূমিকম্পে মৃত্যু হবে চার কোটি মানুষের। বিভক্ত হবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ। মহাকম্পনের জেরে সৃষ্ট একাধিক সুনামি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বিভিন্ন স্থানে আছড়ে পড়বে, যার জেরে অন্তত চার কোটি মানুষের মৃত্যু হবে। ভূমিকম্প প্রথম হবে দক্ষিণ আমেরিকায়। কিছু কিছু অঞ্চলে রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ১০ থেকে ১৬ থাকবে, কয়েকটি অঞ্চলে তা ২০ থেকে ২৪-ও হতে পারে। আগামী কয়েক মাসে উত্তর চীনে একাধিক ভূমিকম্প হবে। মহাভূমিকম্পের আঘাতে মেক্সিকো ও মেক্সিকো উপকূল সম্পূর্ণ ধ্বংস হবে। তার জেরে সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়বে চীন, জাপান ও ক্যারিবিয়ান সমুদ্রতটে।’

কেশে অবশ্য এও জানিয়েছেন, এই পূর্বাভাস একান্ত তার নিজস্ব।

তবে সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে যে হারে ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়ছে, তাতে তার কথা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ভূমিকম্প সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ১২ জুন ‘ভূমিকম্প সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালন করতে চায় সরকার। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ১৮৯৭ সালের ১২ জুন ভারতে এই উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় আকারের এবং ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়। বিষয়টিকে স্মরণ করে এই পদক্ষেপ।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ জানুয়ারি ২০১৭/হাসান/সাইফুল/এএন

New part discover in human body

মানব শরীরের নতুন অঙ্গ!

স্বপ্নীল মাহফুজ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:05 Jan 2017   01:12:14 PM   Thursday   ||   Updated:05 Jan 2017   01:13:25 PM   Thursday
মানব শরীরের নতুন অঙ্গ!
স্বপ্নীল মাহফুজ : মানব শরীরের বাহ্যিক অঙ্গগুলো আমাদের সকলের যেমন জানা, তেমনি অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো সম্পর্কে জানা চিকিৎসকদের। কিন্তু চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, মানব শরীরের অভ্যন্তরে এমন একটি গোপন অঙ্গ রয়েছে, যা চিকিৎসকদের কাছে এতদিন অজানা ছিল।

সম্প্রতি গবেষকরা মানব শরীরের ভেতরে একটি নতুন অঙ্গ আবিষ্কার করেছেন। যেটা মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের মধ্যে অদৃশ্য অবস্থায় ছিল। এই নতুন অঙ্গের গঠন সম্পর্কে জানা গেলেও এর কার্যক্রম স্পষ্ট নয়। পেটের ও পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে এ আবিষ্কারটি কাজে লাগবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

দ্য ল্যানসেট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটলজি লেনসেট নামে এক গবেষণাপত্রে এটাকে নতুন অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে এটাকে নতুন অঙ্গ হিসেবেও স্বীকৃতি দিয়েছে।

আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল লিমারিকের বিশেষজ্ঞ জে ক্যালভিন কফি এটির আবিষ্কারক। তিনি জানাচ্ছেন, মেসেনটারি অঙ্গ হিসেবে অবিষ্কার হওয়াটা গবেষণার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল। পেটের বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে মেসেনটরির কী অবদান রয়েছে, এখন তা গবেষণার নতুন বিষয়।

organ_inner

ক্যালভিন কফি বলেন, ‘মেসেনটারির গঠনতন্ত্র আবিষ্কার হয়েছে। কিন্তু এই অঙ্গের কাজ নিয়ে গবেষণা করা দরকার। মেসেনটারির কী কাজ জানতে পারলে, তার অস্বাভাবিক কাজও বোঝা সম্ভব হবে। এর ফলে রোগও ধরা পড়বে।’

মেসেনটারি হল পেরিটোনিয়ামের জোড়া ভাঁজের অংশ বা পাতলা আস্তরণ, যেটি ক্ষুদ্রান্তকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। মেসেনটারি আবিষ্কারের পর আমাদের শরীরে এখন অঙ্গ হয়ে দাঁড়াল ৭৯টি।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ জানুয়ারি ২০১৬/ফিরোজ

Global forecast info

নস্ট্রাডামাসের ভবিষ্যদ্বাণী : এ বছরই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:04 Jan 2017   10:32:13 AM   Wednesday   ||   Updated:04 Jan 2017   11:06:48 AM   Wednesday
নস্ট্রাডামাসের ভবিষ্যদ্বাণী : এ বছরই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
সাতসতের ডেস্ক : ফ্রান্সের চিকিৎসক ও অ্যাস্ট্রোলজার নস্ট্রাডামাস সেই ১৫৫৫ সালে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন। কালের আবর্তে সেগুলোর অনেক কিছুই সত্যি প্রমাণিত হয়েছে।

গবেষকরা তার ধাঁধায় পূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী থেকে জানতে পেরেছেন, তিনি আগেই ফরাসি বিপ্লব, হিটলারের উত্থান, জন এফ কেনেডির গুপ্তহত্যা, আমেরিকার নাইন-ইলেভেন হামলা এসব নিয়ে আভাস দিয়ে গেছেন প্রায় ৫০০ বছর আগে।

Pic

গেল নভেম্বরে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ব্যাপারেও নস্ট্রাডামাস আগেই আভাস দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন কিছু গবেষক। তিনি এক ধাঁধায় লিখেছেন, ‘খুব নির্লজ্জ, অহংকারী এক বক্তা ক্ষমতাসীন হবে। সে বিতর্ক তৈরি করবে। সেতু ভেঙে যাবে, আতঙ্ক গ্রাস করবে সবাইকে।’

এর ব্যাখ্যা হিসেবেই গবেষকরা বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত জয়ের কথা আভাস দিয়েছেন নস্ট্রাডামাস। আমেরিকায় শাসনব্যবস্থা ভেঙে যাবে, সুপার পাওয়ার দেশটি ট্রাম্পের কারণে দুর্বল রাষ্ট্রে পরিণত হবে। আর ট্রাম্পের হাত ধরেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে, সে আভাসও দিয়েছেন তিনি।

Pic

যদি ২০১৭ সালের হিসাব সত্যি হয়, তাহলে চলতি বছর বিশ্ববাসীর জন্য হতে যাচ্ছে এক দুর্ভোগময় বছর। চলতি বছরে চীন তার অর্থনৈতিক ভারসাম্য আনতে কিছু সাহসী পদক্ষেপ নেবে। চীন কয়েকটি খ্রিষ্টান দেশকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে কয়েকটি  মুসলিম দেশের সঙ্গে একজোট হবে। ইতালিতে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেবে।

নস্ট্রাডামাস আরো ইঙ্গিত দিয়েছেন উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া এক দেশে পরিণত হবে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে নতুন এক চুক্তি হবে, এতে আমেরিকা বাধা দিলেও সমর্থন দেবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেবে। সন্ত্রাস বেড়ে যাব। চীন তার ক্ষমতা দেখাবে এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে।

Pic

১০টি খণ্ডে  নস্ট্রাডামাস তার ভবিষ্যদ্বাণী লিখে গেছেন। প্রতিটি খণ্ডে ১০০টি ভবিষ্যদ্বাণী আছে। দুই হাজার বছরের ভবিষ্যৎ লিখেছেন তিনি। আর ৩৭৯৭ সালে পৃথিবী ধ্বংস হবে, সে কথা বলেছেন নস্ট্রাডামাস।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪  জানুয়ারি ২০১৭/আহমেদ শরীফ/সাইফুল/এএন

Tuesday, 3 January 2017

Earth quake and DO


ভূমিকম্প হলে কীভাবে বাঁচার চেষ্টা করবেন?

টিপু : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:04 Jan 2016   01:25:19 PM   Monday   ||   Updated:04 Jan 2016   06:22:53 PM   Monday
ভূমিকম্প হলে কীভাবে বাঁচার চেষ্টা করবেন?
ডেস্ক রিপোর্ট : ভূমিকম্প হলে অনেককেই দিশেহারা হয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। এটা মোটেও উচিৎ নয়। কারণ, এই অহেতুক ছোটাছুটি অনেক সময় আরও বেশি বিপদ হয়ে দেখা দেয়। তাই ভূমিকম্পকালে দিশেহারা ছোটাছুটি না করে মাথা ঠান্ডা রেখে নিজেকে বাঁচানোর সঠিক করণীয় দেখে নিন:

রেডক্রসের পরামর্শ মতে, ভূমিকম্পের সময় ‘ড্রপ’ ‘কাভার’ ‘হোল্ড অন’ পদ্ধতি আত্মরক্ষার সবচেয়ে ভালো উপায়। এতে তিনটা বিষয় মাথায় রাখবেন। এক. কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন (ড্রপ), দুই. কোনো শক্ত টেবিল, ডেস্ক বা নিচে জায়গা আছে এমন শক্ত ও দৃঢ় আসবাবের নিচে আশ্রয় নিন (কাভার)। তিন. গুটিশুটি হয়ে বসে থাকুন (হোল্ড অন)।

এই আত্মরক্ষা পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোতে বেশি কার্যকর। সেখানে ভবন পুরো ধসের পড়ার চেয়ে আংশিক ধসে বা আসবাবপত্র পড়ে আহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যদিমনে করেন ভবন নির্মাণে ভূমিকম্পের বিষয়টি অবহেলা করা হয়েছে, সম্ভব হলে দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে পড়–ন। লিফট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ ভূমিকম্পের পর পরই আবারও কম্পন হতে পারে, যাকে বলা হয় ‘আফটার শক’ বা পরাঘাত। ঘটতে পারে বিদ্যুৎ বিপর্যয়। তখন লিফট হয়ে উঠবে মরণফাঁদ। তাই বেরিয়ে আসতে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। ভুল করেও সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। ভবন ধসে পড়লে সবার আগে সিঁড়ি ধসে পড়ার শঙ্কাই বেশি। তাড়াহুড়ো করবেন না। যথাসম্ভব মাথা ঠান্ডা রাখুন।

দেখা গেছে, ভূমিকম্পের আতঙ্ক থেকে হুট করে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়া, তাড়াহুড়ো করতে দিয়ে আহত ও নিহতের ঘটনা অনেক।

ভবন ধসে পড়ার সময় ছাদ ধসে পড়লে সেটা যার ওপরে পড়ে, ঠিক তার পাশে একটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। একে বলা হয় ‘সেফটি জোন’। তাই ভূমিকম্পের সময় সোফা বা এ ধরনের বড় শক্তিশালী আসবাবের পাশে গুটিশুটি মেরে বসে থাকুন।

ভবনের এমন কোনো দেয়ালের পাশেও আশ্রয় নিতে পারেন, যে দেয়ালটি বাইরের দিকে। যেন সেই একটি দেয়াল ভেঙে আপনাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। আশ্রয় নেওয়ার সময় মাথার ওপর এক বা একাধিক বালিশ নিয়ে রাখবেন। মাথার চোট বাঁচানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরের কোণে এবং কলাম ও বিমের তৈরি ভবন হলে কলামের গোড়ায় আশ্রয় নিতে পারেন। নির্মাণের দিক দিয়ে এগুলো তুলনামূলক বেশি মজবুত হয়।

আধা পাকা বা টিন দিয়ে তৈরি ঘর থেকে বের হতে না পারলে শক্ত খাট বা চৌকির নিচে আশ্রয় নিন।

ভবনের উঁচু তলার দিকে থাকলে কিংবা ভূমিকম্প রাতে হলে দ্রুত বের হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার ওপরের পরামর্শগুলো মেনে চলুন।

গাড়িতে থাকলে যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে থাকুন। আশপাশে বড় ভবন নেই এমন জায়গায় গাড়ি পার্ক করুন। কখনো সেতুর ওপর গাড়ি থামাবেন না।

ভূমিকম্পের পর পরই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগগুলো পরীক্ষা করে নিন। ভূমিকম্পের ফলে এসব সংযোগে সমস্যা হতে পারে। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের প্রধান সংযোগগুলো বন্ধ করে দিন। কোথাও কোনো লিক বা ক্ষতি দেখলে আগে মেরামতের উপায় খুঁজুন।

টাকা বা অলঙ্কারের মতো কোনো কিছু সঙ্গে নেওয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না। অধিকাংশ ভূমিকম্প মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই ভয়ংকর সর্বনাশ ঘটিয়ে দেয়।

বড় ভূমিকম্পের পর পরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প (আফটার শক) হয়। তাই একবার ভূমিকম্প থেমে গেলেই নিশ্চিত হবেন না। বরং সতর্ক থাকুন।

যদি ভবন ধসে আটকা পড়েন, বেরিয়ে আসার কোনো পথ খুঁজে না পান, আশা হারাবেন না। সাহস রাখুন। সাহস আর আশাই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখবে। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। উদ্ধারকারী পর্যন্ত আপনার চিৎকার বা সংকেত পৌঁছানো যায় কী করে, কৌশল খুঁজুন।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪ জানুয়ারি ২০১৬/টিপু


ভূমিকম্পের সময় করণীয়

ফুয়াদ সৌরভ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:11 May 2015   07:36:54 AM   Monday   ||   Updated:11 May 2015   09:32:40 AM   Monday
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ফুয়াদ সৌরভ : ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ভূমিকম্প হচ্ছে এ ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে পারলে তাড়াহুড়া করবেন না, এক কথায় অতিরিক্ত আতঙ্কিত হবেন না। যদিও এ অবস্থায় আতঙ্কিত হওয়াটাই স্বাভাবিক, তবে যতটুকু সম্ভব নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন। নিজে শান্ত থাকবেন, পরিবারের সকল সদস্যদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেবেন।

ভূমিকম্পের সময় করণীয় কিছু পরামর্শ (অবশ্যই অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেবেন) :

বাইরে থাকলে :
•    আয়ত্বের ভেতর থাকলে দৌড়ে খোলা আকাশের নিচে চলে আসবেন, তবে তাড়াহুড়া করবেন না। পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার স্মরণ এবং সাহায্য কামনা করুন।
•    কোনো বড় ধরনের স্থাপনার পাশে অবস্থান নেবেন না।
•    নিজেকে নিরাপদ মনে করলে প্রথমেই খেয়াল করবেন কোথাও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন কি-না।
•    সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় বসবাস হলে সেখান হতে নিরাপদে প্রস্থান করুন।
•    মোবাইল ফোন সঙ্গে থাকলে ইমারজেন্সি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন এবং সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করুন।
•    পরিবারের লোকজনকে নিজের পাশে রাখার চেষ্টা করবেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেবেন।

ঘরের ভিতরে থাকলে :
•    আয়ত্বের ভেতর থাকলে দৌড়ে খোলা আকাশের নিচে চলে আসবেন। তবে তাড়াহুড়া করবেন না এবং পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার স্মরণ এবং সাহায্য কামনা করুন।
•    যদি বাসা থেকে বের হতে না পারেন তবে বাসার খাট বা এ জাতীয় কোনো আসবাবপত্রের নিচে অবস্থান নিন এবং ফ্লোরের ওপর শুয়ে পড়ুন।
•    কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে নিন।
•    পরিবারের লোকজনকে নিজের পাশে রাখার চেষ্টা করবেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেবেন।
•    ভূমিকম্প শেষ হয়ে গেলে দেখে নিন সব ঠিকঠাক আছে কি না। নিজে ঠিক থাকলে নিশ্চিত হোন কারো সাহায্য লাগবে কি-না।
•    ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকর্মীর সহায়তার জন্য মোবাইল সঙ্গে থাকলে যোগাযোগ করুন অথবা যথাসম্ভব মুখ দিয়ে আওয়াজ করে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন।

গাড়িতে থাকলে :
•    গাড়িকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যাবেন। খেয়াল রাখবেন যাতে কোনো বড় ধরনের স্থাপনার বা গাছের  পাশে অবস্থান না হয়।
•    পার্কিং ব্রেক করে নেবেন।
•    মোবাইল সঙ্গে থাকলে দ্রুত ইমারজেন্সি সহায়তাকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
•    পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের আশ্বস্ত করুন আপনি নিরাপদে আছেন।


•    পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার কাছে নিরাপদে দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন এজন্য শুকরিয়া জ্ঞাপন করুন।

রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩ মে ২০১৫/ফুয়াদ সৌরভ/সাইফুল

Dress and meaning

উষ্ণতার পোশাক

আতিকুর রহমান : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:02 Jan 2017   11:23:33 AM   Monday   
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

আতিকুর রহমান : প্রকৃতির পালাবদলে চলে এসেছে শীত। প্রকৃতির পরিবর্তনের পাশাপাশি চলছে আমাদেরও পরিবর্তন। খাবার-দাবার, চলা-ফেরা ও পোশাক-আশাকে পরিবর্তন লক্ষনীয়।

শীতের সময় তাপমাত্রা যত কমতে থাকে, শীত পোশাকের কদর ততো বাড়তে থাকে। শীত যেমন সঙ্গে করে নিয়ে আসে স্নিগ্ধ সকাল, তেমনি বয়ে আনে কনকনে ঠান্ডা।

এ সময় শুধু চাদর আর সোয়েটারে রেহায় পাওয়া যাবে না। এটা বেশি টের পাওয়া যায় হাত, পা আর কানে। শীত থেকে এই অঙ্গগুলোকে বাঁচাতে সবাই সচেতন।

তবে আজকাল শুধু উষ্ণতা পাওয়ার জন্য নয়, ফ্যাশনের দিকটাও খেয়াল রাখতে চায় তরুণেরা। পোশাকের বাজার এখন শীতের কাপড়ে ঠাসা। এমন কিছু ছোট পোশাক যা আপনাকে উষ্ণতার পাশাপাশি ফ্যাশন সচেতন করে তুলবে। আজ জানবো এমন কিছু পোশাকের খবর।

মাফলার: শীতে উষ্ণতার জন্য মাফলার ব্যবহার হয়। ফ্যাশনের জন্য এর কদর রয়েছে যথেষ্ঠ। চিকন মাফলার দুই ভাঁজে গলার সঙ্গে টাইয়ের মতো বেঁধে নিতে দেখা যায় তরুণদের। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকে মাফলার। উলের নেটের পাশাপাশি এডি কটন এবং পশমি সহ নানা কাপড় ও হরেক কালারের মাফলার পাওয়া যায়। দুই ধরনের মাফলার বাজারে পাওয়া যায়। মেয়েদের জন্য ছোট এবং ছেলেদের বড়। মাফলারের মধ্যে জনপ্রিয় হাতে বোনা ও চিকন উলের।

টুপি: শীতে উষ্ণতা পেতে ব্যবহার করতে পারেন টুপি। টুপি নানা ধরনের হয়ে থাকে। শুধু মাথা ঢাকার জন্য শর্ট টুপি। আর মাথার সঙ্গে কান ঢাকতে চাইলে একটু লম্বা টুপি। এছাড়া শুধু কান ঢাকার জন্য কিনতে পারেন হেড ফোন আকারের টুপি। এসব টুপি শীতে আপনাকে উষ্ণতার পাশাপাশি করে তুলবে ফ্যাশনেবল। ছেলেদের সঙ্গে মেয়েরাও এসব টুপি ব্যবহার করে। এছাড়া ছোটদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন কালারের ও ডিজাইনের টুপি। শুধু মুখ বের করে রেখে আর বাকি সর্ম্পূণ ঢেকে ফেলতে পারেন টুপিতে। সোনামনিদের জন্য কিনতে পারেন মাথার ওপরে খেলনা ফুল বা নানা ধরনের কার্টুন আঁকা টুপি।

মোজা: সারা বছর মোজা ব্যবহার করলেও শীতে মোজার রয়েছে আলাদা কদর। দিনের পাশাপাশি এ সময় রাতে অনেকে মোজা ব্যবহার করেন। বাসায় ব্যবহারের জন্য মোটা উলের ছাড়াও বিভিন্ন সাইজের মোজা পাওয়া যায় বাজারে। কেবল বড়দেরই নয় ছোট্ট সোনামনিদের জন্য রয়েছে বর্নিল ছবি সংবলিত মোজা। শুধু পায়ের মোজাই নয়, বিভিন্ন কালার আর আকারের হাত মোজাও পাওয়া যায় এ সময়। পুরো হাত ঢাকা মোজার সঙ্গে শুধু হাতের তালু ঢাকা পড়বে এমন মোজাও আছে। এসব থেকে বেছে নিন আপনার প্রয়োজনীয় পোশাকটি।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/২ জানুয়ারি ২০১৬/ফিরোজ