Saturday, 2 January 2016

Global - new years celebraton

দেশে দেশে বর্ষবরণের আজব রীতি

সাদিয়া ইসলাম : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:01 Jan 2016   12:41:24 AM   Friday   ||   Updated:01 Jan 2016   11:17:24 AM   Friday
ছবির কোলাজ

ছবির কোলাজ

সাদিয়া ইসলাম : নতুন বছর এলেই তাকে বরণ করার নানা পরিকল্পনা করেন সবাই। ব্যক্তিগত আয়োজন ছাড়াও বিভিন্ন দেশে নতুন বছরকে বরণের এমন কিছু রীতি রয়েছে যা সত্যিই খুবই বিচিত্র। বছরের পর বছর ধরে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার ব্যতিক্রমী রীতিগুলো অনুসরণ হয়ে আসছে দেশগুলোতে। যা সঙ্গে মিশে আছে দেশগুলো ঐতিহ্য ও বিশ্বাস।

নতুন বছরের শুরুতে আসুন জেনে নিই ১৬টি দেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার এমন কিছু ব্যতিক্রমী আয়োজন সম্পর্কে।

১. আঙ্গুর খেয়ে ইচ্ছা পূরণ :
বছর শুরু হওয়ার ঠিক কিছুক্ষণ আগে, অর্থ্যাৎ রাত ১২ টা বাজার কিছু আগে একে একে ১২ থেকে ১ পর্যন্ত গুনতে থাকেন স্প্যানিশরা আর প্রতিটি সংখ্যা বলার পর একটি করে আঙ্গুর মুখে দেন। প্রতিটি আঙ্গুর খাওয়ার পর তারা একটি করে ইচ্ছার কথা বলেন মনে মনে। ধারণা করা হয় এ সময় ইচ্ছের কথা বললে সেটা পূরণ হয়। তবে এই ঐতিহ্যে আসল ইতিহাসটা কিন্তু একেবারেই ব্যবসায়িক।



১৮৯৫ সালের কথা। স্পেনের আঙ্গুর চাষীরা হঠাৎ খেয়াল করলেন যে তাদের ক্ষেতে এবার খুব বেশি পরিমাণে আঙ্গুরের ফলন হয়েছে। কিন্তু এত আঙ্গুর দিয়ে কি করা হবে! সব তো পচে যাবে! এমন ভাবনায় অতিষ্ট হয়েই এই ঐতিহ্যের শুরু করেন তারা যাতে করে তাদের আঙ্গুর পুরোটাই বিক্রি হয়ে যায়।

বাবা-মাকে চিঠি লেখা
বেলজিয়ামে নিউ ইয়ারের একটি বিশেষ নাম রয়েছে। সে হচ্ছে সিন্ট সিলভেস্টার ভোরানভন্ড। অন্য সব দেশের মানুষের মতন নতুন বছরের শুরুতে বেলজিয়ামেও নানারকম আনন্দ উৎসব পালিত হয়। তবে অন্যসব দেশের চাইতে আলাদাভাবে আরেকটি কাজ করেন তারা। আর তা হচ্ছে বাবা-মাকে চিঠি লেখা ও সেটা পড়ে শোনানো।



নানারকম কাগজ আর আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়ে বাবা-মাকে প্রথমে চিঠি লেখে ছেলেমেয়েরা এখানে। এরপর সেই চিঠি তাদের সামনে দাড়িয়েই জোরে জোরে পড়ে শোনানো হয়।

দরজার সামনে পেঁয়াজ ঝুলিয়ে রাখা
গ্রীসে নতুন বছরের শুরুতে দরজার সামনে একটি পেঁয়াজ বা ক্রেমিডা ঝুলিয়ে রাখা হয়। পেঁয়াজটি পরদিন সকালবেলায় বাবা-মা তাদের সন্তানদের ঘুম থেকে ওঠার আগেই কপালে ছুঁইয়ে দেন। মনে করা হয় এর মাধ্যমে নতুন বছরে পুর্নজন্ম হবে নতুন রুপে।



তাই আগের দিন পেঁয়াজ ঝুলিয়ে রেখে পরদিন সকালে পেঁয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তবেই চার্চে যায় তারা।

কেক খাওয়া ও বাসনপত্র ভাঙা
ডেনমার্কে নতুন বছরের শুরুকে উদযাপন করার জন্যে খাবার দাবার খাওয়া শেষে প্রচণ্ড বিশাল একটি কেক খাওয়া হয়। ক্রানসিকাগে নামক এই বৃহৎ আকৃতির কেকটি শেষ করে এরপর সবাই মিলে অন্যদের দরজায় থালা-বাসন ভাঙতে শুরু করেন।



মনে করা হয় এরকমটা করলে পরের বছর উক্ত ঘরের বাসিন্দাদের বন্ধুসংখ্যা বেড়ে যাবে।

থ্যঙ্ক ইউ কার্ড পাঠানো
জাপানে মনে করা হয় নতুন বছরের শুরুতে নিউ ইয়ারের গড তোশিগামি আকাশ ছেড়ে নিচে, এই পৃথিবীতে নেমে আসেন। আর তাই এই রাতে তারা নিজেদের ঘর খুব সুন্দর করে পরিস্কার করে সাঁজিয়ে গুছিয়ে রাখেন।



সেই সঙ্গে আশপাশের সবাইকে থ্যঙ্ক ইউ কার্ড পাঠায়।

১২ পদের খাবার খাওয়া
বছরের শুরুতে এস্তোনিয়ার বাসিন্দারা ক্ষেত্রভেদে সাত, নয় কিংবা বারো পদের খাবার খেয়ে থাকেন। তাদের বিশ্বাস এতে করে যে যত পদের খাবার খাবে পরবর্তী বছরে তার শক্তি ঠিক ততগুণ হয়ে যাবে। তবে নিজেদের খাবারের সবটা খেয়ে ফেলে না তারা সেসময়।



তারা বিশ্বাস করে, এই রাতে নিজেদের পূর্ববর্তী মৃত মানুষেরা পৃথিবীতে ফিরে আসে। তাদের জন্যেই কিছুটা খাবার রেখে দেয় তারা।

গলে যাওয়া টিন থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করা
ফিনল্যান্ডে নতুন বছরের শুরুতে এক টুকরো টিন নিয়ে সেটাকে প্রথমে আগুনের ভেতরে গলানো হয়। এরপর সেটা গলে গেলেই ছুঁড়ে ফেলা হয় ঠাণ্ডা পানিতে।



ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তারপরেই টিনের (সীসা) টুকরোটিকে নিয়ে যাওয়া হয় মোমবাতির কাছে আর এর ওপর ভিত্তি করেই বলা হয় কেমন যাবে মানুষটির সামনের বছর। ভবিষ্যদ্বাণী করার এই উপায়টিকে এখানে বলা হয় মোলিবডোমেন্সি।

অতিথি দেখে নতুন বছরকে বোঝা
আয়ারল্যান্ডের কুসংস্কার অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বরের রাতে যে বা যারা ঘরে অতিথি হিসেবে পা রাখবে তাদের ওপরেই নির্ভর করবে গৃহকর্তার ভাগ্য। যদি অতিথি হয় লম্বা, কালো আর সুস্বাস্থ্যের অধিকারী তাহলে বুঝতে হবে যে, গৃহকর্তার সামনের বছরটা খুব ভালো যাবে।



আর লাল চুলের নারী আসলে বুঝতে হবে যে সামনের বছরে বেশ সমস্যায় পড়তে হবে। এ ছাড়াও আইরিশ অবিবাহিত নারীরা এই রাতে নিজেদের বালিশের তলায় এক ধরনের লতা রেখে দেন। মনে করা হয় এটি তাদের ভবিষ্যতের ভালো থাকা ও স্বামী খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

টেলিভিশনে সাদা-কালো ক্যাবেরে নাচ দেখা
নতুন বছরের শুরুতে জার্মানিরা মার্জিপান দিয়ে তৈরি শূকর খেতে পছন্দ করে। এছাড়াও এই রাতে ১৯২০ সালের ধারণকৃত ক্যাবেরে নাচ দেখে তারা।



যেটা কিনা প্রতি বছরের শুরুতেই একটা বিশেষ উদ্‌যাপন হিসেবে প্রচার করা হয় জার্মান টিভি চ্যানেলগুলোতে। সাদা-কালো সময়ের সেই ক্যাবেরে নাচ দেখতে দেখতে রাতের খাবার সারেন তারা।

দুইবার নিউ ইয়ার পালন করা
শুনতে অদ্ভূত লাগলেও সত্যি যে মেসিডোনিয়ায় একবার নয়, বরং পরপর দুইবার উদ্‌যাপন করা হয় নিউ ইয়ার। একবার ৩১ ডিসেম্বর, এবং অন্যটি ১৪ জানুয়ারি।



জুলিয়ান ও লুনার দিনপঞ্জিকার কারণে তৈরি হওয়া মেসিডেনিয়ার অর্থোডক্সের কারণেই এমনটা করেন তারা। ৩১ তারিখে আতশবাজির উৎসব করেন তারা আর ১৪ জানুয়ারিতে বড়দের কাছ থেকে নানারকম উপহার পেয়ে থাকে বাচ্চারা।

স্যুটকেস নিয়ে ঘরের চারপাশে হাঁটা
বছরের শুরুতে ঘড়িটা ১২টার কাছে পৌঁছানোর আগেই সীমের বীচি খেয়ে নেয় আর্জেন্টাইনরা। কারণ, এতে করে তাদের পরবর্তী বছর ভালো যাবে বলে বিশ্বাস করেন তারা।



এ ছাড়াও রাতের বেলায় একটা স্যুটকেস নিয়ে ঘরের চারপাশে কয়েক পাক ঘুরে নেয় তারা। কারণ মনে করা হয় যে, এতে করে তাদের বিদেশ ভ্রমণের সম্ভাবনা বাড়বে।

শত্রুর প্রতিমূর্তি পোড়ানো
পুরো বছরে যে মানুষটি সবচাইতে দুর্ভাগ্য বয়ে এনেছে কিংবা যাদের দ্বারা ক্ষতিসাধন হয়েছে, ইকুয়েডরবাসীরা তাদের পুতুল তৈরি করেন। আর তারপর সেটা রাস্তায় নিয়ে গিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন।



নিজের শত্রুদের ওপর মনের রাগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা এভাবে।

ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা
চীনে বছরের শুরুতে ঘরের সব ময়লা ঝেড়ে-মুছে একেবারে সাফ করে ফেলা হয়। মনে করা হয় এভাবে ঘরের মতো জীবনের সবরকম দুর্ভাগ্যকে তাড়িয়ে দেওয়া যায় এতে করে।



এ ছাড়াও নানারকম উৎসব এবং উপহার আদান- প্রদান হয় এসময় কাছের মানুষের ভেতরে।

সান্তা ক্লজের অপেক্ষা করা
সার্বিয়াতে বছরের শুরুর দিনটাকে বড়দিন হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। মনে করা হয় এই দিনে সান্তা ক্লজ আবার আসবেন আর উপহার দিয়ে যাবের সবার জন্যে।



এজন্যে ক্রিসমাস ট্রি রাখা হয় ঘরে। সেটাকে সাজানো হয় আর অপেক্ষা করা হয় সান্তা ও তার উপহারের জন্যে।

আত্মত্যাগের প্রতীকের নৃত্য
ইরানে বসন্তের শুরুকে বছরের শুরু বলে মনে করা হয়। আর এসময় আত্মত্যাগের প্রতীক ডোমুজি তৈরি করেন তারা। প্রতীক হিসেবে অভিনয় করা মানুষটির মুখ কালো রঙ দিয়ে রাঙিয়ে দেওয়া হয়।



এরপর ভালো ভাগ্যের শুরুকে উদ্‌যাপন করতে রাস্তায় রস্তায় নেচে বেড়ান তারা।

আতশবাজির উৎসব করা
অন্যান্য অনেক দেশে আলোর উৎসব করা হলেও নতুন বছরের শুরুতে সবচাইতে জমকালো আতশবাজির উৎসব হয় চেক রিপাবলিকে।



পুরো আকাশ ছেয়ে যায় আলোয় আলোয়। অনেকটা আমেরিকার মত এসময় সবাই সবাইকে অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি আনন্দ করে ও ভালো সময় কাটান তারা বছরের শুরুতে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ জানুয়ারি ২০১৬/রাশেদ/রুহুল

SAFF Football Bangladesh 2016

সাফের পরবর্তী আসর বাংলাদেশে

আমিনুল ইসলাম : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:02 Jan 2016   05:04:05 PM   Saturday   
সাফের লোগো

সাফের লোগো

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সাফ ফুটবলের একাদশতম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারতের কেরালায়। শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়ে এই আসরের ফাইনালে উঠেছে স্বাগতিক ভারত ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান। ফাইনালে আগামীকাল মুখোমুখি হবে তারা। তার আগে জানা গেল সাফের পরবর্তী আসর হচ্ছে বাংলাদেশে।

শনিবার সাফ কংগ্রেস সভায় ২০১৭ সালে সাফের দ্বাদশ আসর আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ দিকে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া ‘সাফ ক্লাব কাপের’ আয়োজকও হয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০০৩ সালে ও ২০০৯ সালে সাফের আয়োজক হয়েছিল বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সাল থেকে মাঠে গড়াচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল খ্যাত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। অবশ্য প্রথম আসরে অংশ নেয়নি লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। তবে পরবর্তী দশ আসরে অংশ নিয়ে একবার মাত্র শিরোপা জিততে পেরেছে। সেটাও ১৩ বছর আগে ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে। এ ছাড়া ১৯৯৯ ও ২০০৫ সালে দুইবার রানার আপ হয়। ১৯৯৭ সালে তৃতীয় হয়েছিল লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। ২০০৯ সালে সেমিফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ।

এখন দেখার বিষয় ২০০৩ সালের মতো ২০১৭ সালেও ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে কিনা বাংলাদেশ দল।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২ জানুয়ারি ২০১৫/আমিনুল

Top 7 Volcanic Destinations of the World

Top 7 Volcanic Destinations of the World

 
SHARE
Reunion
Piton de la Fournaise is one of the most active volcanoes in the world. An astonishing lunar landscape, the floor shaped by hardened lava flows, the earth covered in orange and brown scorch marks: climbing up the Piton de la Fournaise reveals strange, stunning, but very accessible scenery. The Plaine des Sables, the Pas de Bellecombe mountain pass, craters and lava flows are just some of the magical places you will never forget.
Italy
Mount Etna - Described as Europe’s tallest and most popular volcano, Mount Etna is still active and spewing ash, fire and lava. Take the adventure tour to the lava-laden waterfall, or climb Mount Etna itself.
Japan
Mount Fuji - Known as the icon of Japan, the active Fuji volcano has a beautiful symmetric cone and for several months in the year its summit is covered with snow. It is the highest mountain in Japan, standing at 3,776 meters and if you plan to climb it, the ascent of the volcano can take 2-3 hours while the descent is around 2-5 hours.
Iceland
Maelifell Volcano - Located on the edge of the Myrdralsjökul Glacier, the Maelifell volcano is a perfectly coned volcano covered in a layer of green moss. It is a very picturesque site with hot springs that are a favourite amongst visitors and locals.
Tanzania
Mount Kilimanjaro - Mostly known as a popular spot for climbers, Mount Kilimanjaro stands at an astonishing 5,895 meters above sea level, making it the highest peak in the African continent as well as the highest freestanding mountain in the world. Despite the towering height, you don’t have to be a professional to reach the peak. Kilimanjaro is an inactive stratovolcano that is situated in the north-eastern Tanzania near the border with Kenya.
Costa Rica
Arenal Volcano - Costa Rica’s most active volcano is located 90 kilometres north-west of San José and last erupted in 1969. At 1,667 metres above sea level, Volcán Arenal overlooks the lake, in which you can enjoy rafting, swimming or bathing in the hot springs.
Philippines
Mayon Volcano - The Mayon Volcano is considered to be perfectly coned due to its symmetrical shape. It is one of the most beautiful and most dangerous volcanoes - with frequent eruptions, Mayon is one of the most active volcanoes in the Philippines.


Friday, 1 January 2016

Advance info 2016

Advance info 2016

নতুন বছরে জানুন আপনার রাশিফল

ফজলে আজিম : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:02 Jan 2016   11:12:58 AM   Saturday   ||   Updated:02 Jan 2016   01:33:45 PM   Saturday
মডেল : সামুদ্রি, ছবি : অপূর্ব খন্দকার

মডেল : সামুদ্রি, ছবি : অপূর্ব খন্দকার

নতুন বছর মানেই নব উদ্যমে নিজেকে এগিয়ে নেওয়া। তবে যারা ভাগ্যে বিশ্বাস করেন তাদের অনেকেই আগ্রহী থাকেন রাশিফল কি বলছে তা জানার জন্য। রাশির ফল বিচারে তা কতটুকু মিলল আর না মিলল সেটা বড় কথা নয়। সবাই সম্ভাবনার কথা জানতে চায়।

এমনটা বিবেচনায় রেখে রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য এ বছরের নানা সম্ভাবনার কথা বলেছেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোলজার্স সোসাইটির(বিএএস)সদস্য অ্যাস্ট্রোলজার অ্যান্ড সাইকিক কনসালটেন্ট ফজলে আজিম

তাহলে জেনে নিন ২০১৬ সালে বিভিন্ন রাশির জাতক জাতিকাদের প্রেম, রোমাঞ্চ, প্রবাস, সাফল্য, পেশা ও অর্থিক দিকসহ নানা দিক।

মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): মেষ রাশির জন্য ২০১৬ প্রত্যাশা পূরণের বছর। এ বছর শিক্ষার্থীদের অনেকেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভ করতে পারেন। যারা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছেন তাদের ঝুলে থাকা কাজ নিষ্পত্তি হবে। নি:সন্তান দম্পতির সন্তান লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। বেকার তরুণ তরুণীদের চাকুরিলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আয় বৃদ্ধির জন্য ভালো সুযোগ পেতে পারেন। যে কোনো ধরনের বিরোধ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। এ বছর আইনী ঝামেলায় জড়ানোর আশংকা রয়েছে। প্রেমের সম্পর্কে বুঝে শুনে এগোলে ভালো করবেন। কারো ক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্কে ভাঙন দেখা যাবে। কাঙিক্ষত ফলাফল লাভে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরো মনোযোগী হওয়ার প্রয়োজন হবে। এছাড়া অন্যান্য দিক আশা করা যায় ভালো যাবে।

বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২১ মে): এ বছর বৃষ রাশির অনেকেই যানবাহন অথবা স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় অথবা উত্তরাধিকারীসূত্রে লাভ করতে পারেন। পেশাগত পদোন্নতি লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। অনেকে নেতৃস্থানীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে পারেন। সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ ও সম্মান বাড়বে। প্রেমে রোমাঞ্চের ক্ষেত্রে বছরটি শুভ নয়। ছোটখাট কিছু পারিবারিক বিষয়ে ভুলবোঝাবুঝি হতে পারে। তবে ভুলে গেলে চলবে না একদিনের নেতিবাচক অভিজ্ঞতায় নাড়ির বন্ধন ছিন্ন করা যায় না। পরিবারের সম্পর্কগুলোকে প্রাণবন্ত রাখতে সবসময় উদার মানসিকতার পরিচয় দিন ও অন্যকে ক্ষমা করে দিন। দাম্পত্য সম্পর্কে মাঝেমধ্যে কিছু বিষয়ে অমিল দেখা যেতে পারে। দাম্পত্য সুখ বাড়াতে আপনার সঙ্গীর দিকে মনোযোগ দিন। বিশেষ করে পার্টনারশিপ ব্যবসায়ে সতর্কতার প্রয়োজন হবে। অন্যথায় আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য দিক ভালো যেতে পারে।

মিথুন রাশি (২২ মে-২১ জুন): এ বছর আপনি প্রচুর ভ্রমণ করবেন। দেশের অভ্যন্তরে ও প্রবাসযাত্রা হতে পারে। কারো ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ যাত্রা হতে পারে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। ধর্মীয় বই পড়াশোনা ও ধর্মীয় আলোচনায় অংশগ্রহণ হতে পারে। বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্তদের অনেকেই নতুন ব্যবসায়ে হাত দিতে পারেন। এ বছর বড় কোনো বিনিয়োগে সাবধান থাকুন। একটি ভুল সিদ্ধান্তে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। যানবাহনে চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করুন। প্রেম রোমাঞ্চের ক্ষেত্রে বছরটি শুভ নয়। এ বছর অনেকেরই প্রেমের সম্পর্কে প্রায়ই ভুলবোঝাবুঝি দেখা যেতে পারে, এমনকি সম্পর্কে ফাটল দেখা যেতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে সন্তানলাভের চেষ্টা বিলম্বিত হতে পারে। খেলারমাঠে সাবধানতা অবলম্বন করুন। এছাড়া অন্যান্য দিক ভালো যেতে পারে।

কর্কট রাশি (২২ জুন-২২ জুলাই): এ বছর আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়বে। আয় বাড়বে। যোগ্যতা অনুযায়ী পেশায় সম্মান ও অর্থ দুটোই লাভ করতে পারেন। উত্তরাধিকারীসূত্রে জায়গা জমি লাভ করতে পারেন। ধর্মকর্মের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাবে। দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো যাবে। স্বামী বা স্ত্রীসূত্রে লাভবান হবেন। অনেকের ক্ষেত্রে সন্তান লাভের চেষ্টা বিলম্বিত হতে পারে। তবে মার্চ থেকে অগাস্ট পর্যন্ত সময়টি সন্তানলাভের জন্য অনুকূল থাকবে। আপনার জীবন সঙ্গীর সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করুন। সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি দাম্পত্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। যৌথমূলধনী ব্যবসায়ে বিনিয়োগের আগে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিন। অন্যান্য দিক ভালো যেতে পারে।

সিংহ রাশি (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট): এ বছর আপনাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে পরিচিতি ও সম্মান দুটোই আসবে। বছরটি আপনার ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়ক হবে। যারা পড়ালেখা করেন তারা ভালো করবেন। নি:সন্তান দম্পত্তি যারা সন্তান লাভের চেষ্টা করছেন তাদের প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। এ বছর প্রেমের সম্পর্ক ভালো যেতে পারে। অবিবাহিতদের বিয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। যারা অংশীদারিভিত্তিতে ব্যবসায়ে সংশ্লিষ্ট তাদের জন্য বছরটি স্মরণীয় হবে। মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা বাড়বে। ভ্রমণে সাবধানতা অবলম্বন করুন। বয়সে ছোট এমন কারো সঙ্গে বিরোধে না জড়ালেই ভালো করবেন। ভুলে গেলে চলবে না, ছোটরা ভুল করতেই পারে। কারণ তাদের জ্ঞান সীমিত। আর বড়রা ক্ষমা করার মাধ্যমে সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে পারে। সবমিলিয়ে বছরটি আপনার জন্য ভালোই যেতে পারে।

কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর): এ বছরটি আপনার জন্য স্মরণীয় হয়ে উঠবে। নানারকম চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে আপনি ধাপে ধাপে সাফল্যের পথে অগ্রসর হবেন। বিবাহযোগ্য অনেকেরই পারিবারিকভাবে বিয়ে হবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত অনেকেই চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করতে পারেন। ধর্মীয় কাজকর্মের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়বে। পরিবারে সুখ বাড়বে। মাঝে মধ্যেই শরীর খারাপ করতে পারে। পায়ে আঘাত পেতে পারেন। কর্মস্থলে ভুলবোঝাবুঝি দেখা যেতে পারে। নিজের কাছে সৎ থাকুন। মানসিক প্রশান্তি পাবেন। কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদে না জড়ালেই ভালো করবেন। অন্যান্য দিক ভালো যাবে।



তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর): আপনার জন্য বছরটি সাফল্য অর্জনের বছর। এ বছর ঝুলে থাকা অনেক কাজের নিষ্পত্তি হবে। পেশাগত পদোন্নতি ও আয় বৃদ্ধির একাধিক সুযোগ তৈরি হতে পারে। কর্মস্থলে সহকর্মীদের সহযোগিতা ও তাদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। বড় ভাই বোনের সহযোগিতা আপনাকে সফল হওয়ার পথে এগিয়ে রাখবে। দাম্পত্য সম্পর্ক রোমাঞ্চ ভালো যাবে। শিক্ষার্থীদের জন্য বছরটি হবে প্রত্যাশা পূরণের বছর। আর তাই পড়াশোনায় আরো মনোযোগী হতে হবে। নববিবাহিতদের অনেকেরই সন্তান লাভের চেষ্টা ফলপ্রসু হতে পারে। গোপন কোনো ঝামেলা কিংবা মামলা মোকদ্দমায় জড়াতে পারেন। সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় এমন কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে। নিজেকে জয় করুন সকল নেতিবাচকতা থেকে। তবে আপনি জয়ী হবেন। এছাড়া অন্যান্য ভালো যাবে বলে আমা করা যায়।

বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর): আপনার যুক্তিসঙ্গত প্রত্যাশা পূরণে বছরটি সাফল্য অর্জনের মাইলফলক হয়ে থাকবে। চাকুরিজীবীদের অনেকেই পদোন্নতি লাভ করবেন। বেকারদের জন্যও রয়েছে সুখবর। চেষ্টা চালিয়ে যান। আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী চাকুরি অপেক্ষা করছে আপনার কাছে ধরা দিতে। আপনার যোগ্যতা প্রমাণের একাধিক সুযোগ পেতে পারেন। আর্থিক দিক ভালো যাবে। আপনার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমান বাড়বে। এ বছর দামী গ্যাজেট কেনা হতে পারে। কর্মে জটিলতার অবসান হবে। দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে ছোটখাট বিষয়ে সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে জ্ঞানীরা সমাধানের চেষ্টা করে। বোকারা তিলকে তাল করে। এ ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুঁতখুতেঁ স্বভাবের না হলেই ভালো করবেন। অন্যান্য দিক ভালো যাবে।

ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর): এ বছর আপনার উপার্জন বাড়তে পারে। অনেকেই বিদেশে পাড়ি জমাতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে আপনার প্রভাব বাড়বে। ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। নিজের যোগ্যতা প্রকাশের একাধিক সুযোগ পেতে পারেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনেকেই বিজয়ী হবেন বলে আশা করা যায়। ভাগ্যোন্নয়নে আপনার বিশেষ কোনো চেষ্টা সাফল্যের মুখ দেখতে পারে। আধ্যাত্মিক বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। কণিষ্ঠ ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। এ বছর চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যয় বাড়তে পারে। অসুস্থ কাউকে নিযে হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো যাবে না। কোনো ধরনের শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে বিলম্ব না করে চিকিৎসকে পরামর্শ নিন। এছাড়া অন্যান্য দিক ভালো যাবে।

মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি): সাফল্য অর্জনের জন্য আপনাকে বিশেষভাবে চেষ্টা চালাতে হবে। কোনো ভাবেই দমে গেলে চলবে না। সাহস ও উদ্যম নিয়ে কাজে লেগে থাকতে হবে। তবেই আপনি কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভ করতে পারেন। আর্থিকভাবে বছরটি বেশ ভালো যেতে পারে। আইনসংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বিরোধ মিমাংশা হতে পারে। আপনার ব্যয় বাড়বে। আপনার কোনো আচরণ দ্বারা শত্রুপক্ষের তৎপরতা বাড়তে পারে। হাসপাতালে সুচিকিৎসা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার কর্ম প্রচেষ্টা সফল হবে বলে আশা করা যায়। প্রেম রোমাঞ্চের ক্ষেত্রে খুব একটা ভালো যাবে না। শুভাশুভ মিশ্রভাব বজায় থাকবে। যারা সন্তানলাভের চেষ্টা করছেন তাদের চেষ্টায় সাফল্য আসতে পারে। জুয়া কিংবা ফটকা কারবারে ধরা খেতে পারেন। গোপন কোনো চেষ্টায় সাফল্য লাভ করতে পারেন। উত্তরাধিকারী সূত্রে সম্পত্তি লাভ করতে পারেন। এছাড়া অন্যান্য দিক ভালো যাবে।

কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি): এ বছর আপনার প্রত্যাশা পূরণের বছর। জীবনের লক্ষ্য অর্জনে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা লাভ করবেন। আপনার আয় বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে কর্তৃত্ব ও সুনাম বাড়বে। বিয়েশাদির জন্যও বছরটি মন্দ নয়। নানারকম কাজের জটিলতার অবসান হবে। আপনার উদ্ভাবনী ক্ষমতার দ্বারা পরিচিতি ও সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। অনেকে চাকুরি পরিবর্তন কিংবা সাময়িক চাকুরি থেকে অব্যাহতি নিতে পারেন। মাত্রাতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয়ে আর্থিক সংকট দেখা যেতে পারে। যৌথ প্রচেষ্টায় কোনো কাজে বিলম্ব হতে পারে। যে কোনো বিষয়ে কাজ শুরু করার আগে বিষয়টি নিয়ে অংশীদারদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন ও তাদের মতামত নিলেই ভালো করবেন। আপনার প্রত্যাশা পূরণ কিছুটা সময় বিলম্বিত হতে পারে। অন্যান্য দিক ভালো যাবে।

মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): এ বছরটিতে আপনি পেশাগত পদোন্নতি লাভ করতে পারেন। যে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে পারেন। শরীর স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দিন। বেকারদের অনেকেই নতুন চাকুরি লাভ করতে পারেন। কেউবা স্বাধীন পেশায় সম্পৃক্ত হতে পারেন। প্রেম রোমাঞ্চের জন্য বছরটি সুখকর নাও হতে পারে। এ বছর নতুন করে প্রেমের ফাঁদে না পড়লেই ভালো করবেন।যে কোনো ধরনের সম্পর্কে ভুলবোঝাবুঝি এড়াতে সরাসরি কথা বলুন। চিকিৎসা ব্যয় বাড়তে পারে। আপনার কাজের ব্যপ্তি বাড়বে। বিলম্বে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কোনো সুযোগ হারাতে হতে পারে। আপনার কর্মস্পৃহা উদ্যম ও সাফল্য বাড়বে। অন্যান্যদিক ভালো যাবে।





রাইজিংবিডি/ঢাকা/২ জানুয়ারি ২০১৬/রাশেদ/ফিরোজ

Spider vs design

অবিশ্বাস্য আকৃতিতে মাকড়সা

মোখলেছুর রহমান : রাইজিংবিডি ডট কম
Published:01 Jan 2016   12:27:38 AM   Friday   
অবিশ্বাস্য আকৃতিতে মাকড়সা
মোখলেছুর রহমান : সমুদ্রের পানির নীচে সম্প্রতি অবিশ্বাস্য বড় আকৃতির ‘সাগর মাকড়সার’ সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা দেখে তারা নিজেরাই হতভম্ব এবং আতঙ্কিত হয়ে গেছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, বৃহদাকার এই মাকড়সাগুলো দেখে অনেকটা দুঃস্বপ্নের মত মনে হচ্ছিল। কারণ এগুলো একটি মানুষের মুখের মত বড়। তবে কেন এটি এত বড় এবং কেন এর শারীরিক গঠন এত বৃদ্ধি হল তা এখনো পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে ব্যাখ্যা করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

হরর সিনেমা প্রেমীরা প্রজন্মরাও এসব মাকড়সা দেখতে আতঙ্কিত হয়ে ওঠবে, কারণ বিশাল সাইজের এই মাকড়সাগুলো দেখতে খুবই গা গা ছমছম করা এবং এর পাগুলো ও অনেক দীর্ঘ।

ফলে বিজ্ঞানীরা এখন সমুদ্রের প্রাণী তারামাছ ও সাগর শামুক এর মত প্রাণীগুলোর আকৃতি বৃদ্ধি  নিয়ে পরিবর্তনশীল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ওপর ‘পোলার রাক্ষসরোগ’ নামক একটি নতুন তত্ত্ব পেশ করতে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে জীববিজ্ঞানী মেরেডিথ সুয়েট এক ব্লগ পোস্টে জানান, বর্তমানে এসব প্রাণী বিশাল আকারের দিকে যাওয়া একটি রহস্য। একাধিক অনুমানের ওপর নির্ভর করে এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যদিও এর কোনোটিই এখনো পর্যন্ত কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।’

মানুষের মুখের মত বড় আকৃতির এই সামুদ্রিক দানব মাকড়সা (যা কিনা প্রায় ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত বড় এবং আরো বড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে) নিয়ে গবেষণা করতে গবেষকদের একটি দল অ্যান্টার্টিক সাগরের ঠাণ্ডা জমাটবাধা স্থানে গর্ত খুঁড়ে সেখানে কিছু মাকড়সার বাসস্থান বের করেছেন।

দক্ষিণ মেরুর পানি অত্যাধিক ঠাণ্ডা থাকে, ফলে এতে অক্সিজেন দ্রবীভূত থাকে। গবেষকরা সাগরে দ্রবীভূত এই উচ্চ মাত্রার অক্সিজেনকেই সাগর মাকড়সা এবং অন্যান্য সমুদ্রিক প্রাণীর বৃহাদার গঠনের জন্য দায়ী বলে দাবি করছেন।
 


রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ জানুয়ারি ২০১৬/ফিরোজ